বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ‌বাস ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে রাজ্যকে চিঠি
‌বাস (REUTERS)
‌বাস (REUTERS)

‌বাস ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে রাজ্যকে চিঠি

  • সিটি সাবআরবান বাস সার্ভিসের সাধারণ সম্পাদক টিটো সাহা চিঠিতে জানিয়েছেন, করোনার মতো কঠিন পরিস্থিতিতে যেভাবে পেট্রোল, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে, তাতে আগামীদিনে বাস পরিষেবা সচল রাখাই দুর্বিসহ হয়ে উঠছে।

ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে এবার রাজ্য সরকারকে চিঠি দিল বাস মালিক সংগঠন। সংগঠনের দাবি, করোনা পরিস্থিতিতে পুরনো ভাড়ায় আর বাস চালানো সম্ভব হচ্ছে না। ভাড়া বৃদ্ধির পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে সোমবার রাজ্যের পরিবহণ প্রতিমন্ত্রী দিলীপ মণ্ডলকে চিঠি দিয়েছেন তাঁরা।

সিটি সাবআরবান বাস সার্ভিসের সাধারণ সম্পাদক টিটো সাহা চিঠিতে জানিয়েছেন, করোনার মতো কঠিন পরিস্থিতিতে যেভাবে পেট্রোল, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে, তাতে আগামীদিনে বাস পরিষেবা সচল রাখাই দুর্বিসহ হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে ভাড়া পুনর্বিন্যাস অত্যন্ত জরুরি। গত বছর মার্চ থেকে চলতি বছর মে মাস পর্যন্ত এই ১৪ মাস লাভের মুখ দেখেননি বাস মালিকরা।যাদের ব্যাঙ্কের ঋণ শোধ করতে হচ্ছে, তাঁদের পক্ষে আর বাস চালানো সম্ভব হচ্ছে না। পরিস্থিতি এমন দিকে যাবে যে এরপরে সাধারণ মানুষ, নিত্যযাত্রীদের দুর্দশা আরও বাড়বে। এই করোনা পরিস্থিতিতে পেট্রোলের লিটার পিছু পেট্রোলের দাম যেখানে ৯০ টাকা হয়েছে, ডিজেলের লিটার পিছু দাম যেখানে ৬৪ টাকা ৬৫ পয়সা হয়েছে, সেখানে সরকার সামগ্রিকভাবে বেসরকারি ক্ষেত্রে ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করে দেখুক।

এর আগেও গত বছর লকডাউনের পর যখন রাজ্য ক্রমে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছিল, তখন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী ও পরিবহণ সচিবের কাছে ভাড়া বৃদ্ধির পুনর্বিবেচনার বিষয়টি পাঠিয়েছিল একাধিক মালিক সংগঠন। তাঁদের মতে, এই রাজ্যে পরিবহণ ব্যবস্থার সম্পূর্ণটা দাঁড়িয়ে আছে বেসরকারি পরিবহণ সংস্থার ওপর। সেক্ষেত্রে পেট্রোল, ডিজেলের দাম যখন বাড়ছে, তখন ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি সরকারের পুনর্বিবেচনা করার দরকার।কিন্তু সরকারের তরফে ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়ে কোনও কথাই জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, লকডাউনের মধ্যেই এমনও দেখা গিয়েছে, শহরতলি এলাকায় বহু রুটের বাসই চালাতে না পেরে উঠে গিয়েছে। এরকম ব্যবস্থা চলতে থাকলে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে তা নিয়ে শঙ্কিত নিত্যযাত্রীরা।

বন্ধ করুন