বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Howrah: নেশামুক্তি কেন্দ্রের আড়ালে মধুচক্রের আসর, আবাসিকদের খাওয়ানো হত কুকুরের পটি!

Howrah: নেশামুক্তি কেন্দ্রের আড়ালে মধুচক্রের আসর, আবাসিকদের খাওয়ানো হত কুকুরের পটি!

রিহ্যাব সেন্টারে উত্তেজিত মানুষের ভিড়।

অভিযোগ, আবাসিকদের সঙ্গে মোটেই ভালো ব্যবহার করা হত না ওই কেন্দ্রে। তাদের কুকুরের পটি খাওয়ানো হত। কোমড চেটে চেটে পরিষ্কার করানো হত। এমনকি ডাস্টবিনের খাবার খাওয়ানো হত বলেই অভিযোগ তোলেন রিহ্যাব সেন্টারের মালিকের স্ত্রী।

নেশামুক্তি কেন্দ্রের আড়ালে মধুচক্রের আসর জমে উঠেছিল। আর সেই সঙ্গে আবাসিকদের ওপর অমানবিক অত্যাচারও ক্রমাগত বেড়ে যাচ্ছিল। এমনই অভিযোগ উঠল নেশামুক্তি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ তোলেন খোদ নেশামুক্তি কেন্দ্রের মালিকের স্ত্রী। শনিবার এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। উত্তেজিত স্থানীয়রা নেশামুক্তি কেন্দ্রে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি এক কর্মীকে ব্যাপক মারধর করেন। যদিও ঘটনার পর থেকে পলাতক নেশা মুক্তি কেন্দ্রের মালিক। ঘটনাটি হাওড়ার বালির নিশ্চিন্দা এলাকার। সেখানকার রিহাব সেন্টার নামে নেশামুক্তি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে এই কাজকর্মের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ, ওই নেশামুক্তি কেন্দ্রে গত চার মাস ধরে মধুচক্র চলছিল। স্থানীয়রা টের পেলেও প্রমাণের অভাবে কিছু বলতে পারেনি। তাছাড়া, আবাসিকদের সঙ্গে মোটেই ভালো ব্যবহার করা হতো না ওই কেন্দ্রে। তাদের কুকুরের পটি খাওয়ানো হত। কোমড চেটে চেটে পরিষ্কার করানো হতো। এমনকি ডাস্টবিনের খাবার খাওয়ানো হতো বলেই অভিযোগ তোলেন রিহ্যাব সেন্টারের মালিকের স্ত্রী। তিনি বিষয়টি প্রকাশ্যে আনার পরেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন স্থানীয়রা। শনিবার তারা ওই কেন্দ্রে গিয়ে সেখানকার কর্মীদের উপর মারধর করার পাশাপাশি ভাঙচুর চালান। খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ গিয়ে সেখানে নিয়ন্ত্রণে আনে।

বালি গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান প্রদীপ বল জানিয়েছেন, অনেকদিন ধরেই এই রিহাব সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছিল। পুলিশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলার রুজু করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর থেকেই রিহাব মালিক পলাতক রয়েছেন তার খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। এদিকে রিহাব সেন্টারে থাকা ১৪ জন আবাসিককে বাড়ি পাঠিয়ে দেয় পুলিশ।

উল্লেখ্য, মাসখানেক আগে বেলঘড়িয়ার একটি নেশামুক্তি কেন্দ্রে যুবককে পিটিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ তুলেছিল পরিবার। অভিযোগ নেশামুক্তি কেন্দ্রের কর্মীরা তাকে পিটিয়ে মেরেছিল। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দারা একইভাবে বেলঘরিয়ার মুক্তি কেন্দ্রের ভাঙচুর চালিয়েছিলেন।

বন্ধ করুন