বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > পানীয় জলের কল থেকে বেরোচ্ছে কেঁচো, জানেনই না কামারহাটির পুর প্রশাসক
কামারহাটির পুর প্রশাসক গোপাল সাহা। 
কামারহাটির পুর প্রশাসক গোপাল সাহা। 

পানীয় জলের কল থেকে বেরোচ্ছে কেঁচো, জানেনই না কামারহাটির পুর প্রশাসক

  • বিশ্বনাথ পল্লির বাসিন্দা গৃহবধূ পম্পা গুহ রায় বলেন, ‘আমাদের এখানে নর্দমার নীচ দিয়ে পানীয় জলের পাইপ ঢুকেছে। সেখানে পাইপ লিক হয়ে নর্দমার জল মিশছে পানীয় জলের সঙ্গে। যার জেরে রোজই পানীয় জলের কল থেকে বেরোচ্ছে, কেঁচো, শ্যাওলা, মাটি।

কলেরার প্রকোপে পুর এলাকায় ত্রাহি রব উঠেছিল এখন মাস ঘোরেনি। তার মধ্যে কামারহাটি পুরসভা এলাকায় ফের পানীয় জলে দূষণের অভিযোগ। পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বিশ্বনাথ পল্লি এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, পানীয় জলের সঙ্গে বেরোচ্ছে কেঁচো, শ্যাওলা ও মাটি। পুরসভাকে বারবার জানিয়ে কাজ হয়নি বলে দাবি তাঁদের। পরিস্থিতি এতই জটিল যে পানীয় জল কিনে খেতে হচ্ছে বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের।

চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে কামারহাটি পুরসভা ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডে কলেরার প্রকোপ দেখা দেয়। মৃত্যু হয় অন্তত ২ জনের। সরকারের তরফে স্বীকার করে নেওয়া হয় পানীয় জলে দূষণের জেরেই এই সংক্রমণ। তার পর মাস ঘুরতে না ঘুরতে ফের পুর এলাকায় নোংরা পানীয় জল সরবরাহের অভিযোগ।

বিশ্বনাথ পল্লির বাসিন্দা গৃহবধূ পম্পা গুহ রায় বলেন, ‘আমাদের এখানে নর্দমার নীচ দিয়ে পানীয় জলের পাইপ ঢুকেছে। সেখানে পাইপ লিক হয়ে নর্দমার জল মিশছে পানীয় জলের সঙ্গে। যার জেরে রোজই পানীয় জলের কল থেকে বেরোচ্ছে, কেঁচো, শ্যাওলা, মাটি। এই জল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশুরা। পুরসভাকে জানিয়েও কাজ হয়নি। ভোট চাইতে একবার এসেছিল, তার পর কারও দেখাও পাইনি।’

শংকর ঘোষ নামে আরেক স্থানীয় বাসিন্দা জানিয়েছেন, ‘বারবার পুরসভাকে জানানোর পরও কোনও সুরাহা হয়নি। আমরা প্রত্যেকে পুরসভার ট্যাক্স দিই। তার পর জানি না কী দোষ করেছি যে কেউ গা করছে না। খাবার কেনার পয়সা থাকুক বা না থাকুক জল কিনতে হচ্ছে রোজই।’

এব্যাপারে কামারহাটির পুর প্রশাসক গোপাল সাহা বলেন, বিশ্বনাথ পল্লিতে এই ধরণের সমস্যার কথা কেউ আমাকে জানাননি। জানালে ব্যবস্থা নেব।

 

বন্ধ করুন