বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ কি পরিণত হতে চলেছে ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’-এ?
বঙ্গোপসাগরে ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে একটি নিম্নচাপ। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
বঙ্গোপসাগরে ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে একটি নিম্নচাপ। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ কি পরিণত হতে চলেছে ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’-এ?

  • ‘গুলাব’-এর নাম দিয়েছে পাকিস্তান।

বঙ্গোপসাগরে ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে একটি নিম্নচাপ। তা কি ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’-এ পরিণত হতে চলেছে? এমনই জল্পনা চলছে। যদিও আপাতত সেরকম কোনও সম্ভাবনা নেই বলে মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে।

মৌসম ভবনের সাম্প্রতিক বুলেটিন অনুযায়ী, আপাতত নিম্নচাপটি উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর অবস্থান করছে। কিন্তু আগামী ১২০ ঘণ্টা বা পাঁচদিনে তা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। যা ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

এমনিতে আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসারে, যে মহাসাগরে যে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়, তার অববাহিকার দেশগুলি সেই ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করে। একবিংশ শতাব্দীর গোড়ায় এই পদ্ধতি শুরু হয়। সেইমতো বিশ্বে ১১ টি প্রতিষ্ঠান ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করে।

এরইমধ্যে ২০০০ সালে ওমানের মাসকটে ওয়ার্ল্ড মেটেরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন/ইউনাইটেড নেশনস ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশন ফর এশিয়া অ্যান্ড পেসিফিকের (WMO/ESCAP) ২৭ তম বৈঠক আয়োজিত হয়েছিল। বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগরে উৎপত্তি হওয়া সব ঘূর্ণিঝড়ের নাম ঠিক করতে সেই বৈঠকে রাজি হয়েছিল সংগঠনটি।

সেইমতো ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে উত্তর ভারত মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু হয়েছিল। সেই সময় আটটি দেশ নামের পরামর্শ দিত। পরবর্তী সময়ে সেই সংগঠনে আরও পাঁচটি দেশ যোগ দেয়। আপাতত ওই সংগঠনের দেশগুলি হল - বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মায়ানমর, ওমান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী এবং ইয়েমেন।

পরবর্তী ঘূর্ণিঝড়ের নাম

ইতিমধ্যে ভারতে আছড়ে পড়েছে ‘তাউটে’ এবং ‘ইয়াস’। তৃতীয় কোনও ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে সেটির নাম হবে ‘গুলাব’। যে নাম দিয়েছে পাকিস্তান। পরের ঘূর্ণিঝড়ের নাম হবে 'শাহীন'। যে নামকরণ করেছে কাতার।

বন্ধ করুন