বাঁ দিকে মঙ্গলবার মাধ্যমিকের ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের একটি পাতা। ডানদিকে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়
বাঁ দিকে মঙ্গলবার মাধ্যমিকের ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের একটি পাতা। ডানদিকে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়

সাত মন তেলই শুধু পুড়ল, রোখা গেল না মাধ্যমিকের প্রশ্নফাঁস

  • এবছর মাধ্যমিকে প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে রাজ্যের ৪২টি ব্লকে ইন্টারনেট পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন।

আশঙ্কাই সত্যি হল। মাধ্যমিকের ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র মিলে গেল পরীক্ষার্থীদের কাছে বিলি হওয়া প্রশ্নপত্রের সঙ্গে। ফলে এবছরের মাধ্যমিক শুরু হল প্রশ্নফাঁস দিয়ে। এখনো এবিষয়ে মুখ খোলেনি মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।

মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে ২০২০-র মাধ্যমিক পরীক্ষা। এদিন ছিল প্রথম ভাষা প্রথম পত্রের পরীক্ষা। বেলা ১২টায় শুরু হয় পরীক্ষা। পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। পরীক্ষা শেষ না হওয়ায় ওই প্রশ্নপত্রের সঙ্গে আসল প্রশ্নপত্র মেলানো যাচ্ছিল না। পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থীরা হল থেকে বেরোলে দেখা যায়, ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের সঙ্গে আসল প্রশ্নপত্র হুবহু এক।

এবছর মাধ্যমিকে প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে রাজ্যের ৪২টি ব্লকে ইন্টারনেট পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। তার পরও প্রশ্নপত্র বাইরে বেরিয়ে গেল পরীক্ষা শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যে। কেন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা গেল না প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে।

এদিনের প্রশ্নফাঁস নিয়ে এখনো মুখ খোলেনি পর্ষদ। গত বছর মাধ্যমিকে ৭টি বিষয়ের প্রতিটির প্রশ্ন ফাঁস হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু একটি ক্ষেত্রেও তা মানেনি পর্ষদ। এবার প্রশ্ন ফাঁস রুখতে পরীক্ষাকেন্দ্রে শিক্ষকদের স্মার্টফোনের পাশাপাশি স্মার্টওয়াচ পরে ঢোকাও নিষিদ্ধ হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে ছাত্রদের সামনে প্রশ্নের প্যাকেট খুলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শিক্ষকদের। কিন্তু তাতেও পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে বেরিয়ে গেল প্রশ্নপত্র।



বন্ধ করুন