বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থী কে হবে এই নিয়ে বিবাদে তৃণমূলকে শুটিয়ে লাল করে দিল তৃণমূলই

পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থী কে হবে এই নিয়ে বিবাদে তৃণমূলকে শুটিয়ে লাল করে দিল তৃণমূলই

শুক্রবার রাতে মালদায় তৃণমূলের কোন্দল।

এই ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপির দাবি কাটমানির বিনিময়ে তৃণমূলের প্রার্থী ঠিক হয়। বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য কিষান কেডিয়া বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট হলে তৃণমূল কোথাও জিততে পারবে না। হরিশ্চন্দ্রপুর সদর বিজেপির ঘাঁটি

পঞ্চায়েত ভোটে কোন গোষ্ঠীর প্রার্থীর নাম জেলা নেতৃত্বের কাছে যাবে, এই নিয়ে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দে তৈরি হল চরম পরিস্থিতি। অ্যাকশান সিনেমার ধাঁচে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল তৃণমূলের ২ গোষ্ঠী। তাও আবার ব্লক ও জেলাস্তরের নেতাদের সামনে। শুক্রবার রাতে এই ঘটনা মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের থানা পাড়া গ্রামের। এই ঘটনায় বেজায় অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতৃত্ব।

শুক্রবার রাতে থানাপাড়া বুথে ছিল পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থী বাছাইয়ের বৈঠক। উপস্থিত ছিলেন হরিশ্চন্দ্রপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সঞ্জীব গুপ্তা, জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি বিকাশ ব্যানার্জি। সেখানেই প্রার্থী হিসেবে উঠে আসে দুই জনের নাম।একজন বর্তমান পঞ্চায়েত সদস্যা বাসন্তী দাস এবং অপরজন ব্লক তৃণমূলের সহ-সভাপতি সাগর দাস। কিন্তু কার নামে জেলা নেতৃত্বের কাছে যাবে তা নিয়ে সভায় বাগযুদ্ধ শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যে তা পৌঁছয় হাতাহাতিতে। শেষে তা সংঘর্ষের চেহারা নেয়। বেশ কিছুক্ষণ এরকম চলার পর উপস্থিত নেতাদের হস্তক্ষেপে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে পরিস্থিতি।

এই ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপির দাবি কাটমানির বিনিময়ে তৃণমূলের প্রার্থী ঠিক হয়। বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য কিষান কেডিয়া বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট হলে তৃণমূল কোথাও জিততে পারবে না। হরিশ্চন্দ্রপুর সদর বিজেপির ঘাঁটি। যদিও তৃণমূলের দাবি কোন ধাক্কাধাক্কি হয়নি। দল বড় হয়েছে তাই প্রার্থী হিসেবে একাধিক জনের নাম উঠে আসতেই পারে।হরিশ্চন্দ্রপুর অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি সঞ্জীব গুপ্তা বলেন, একটা বুথেই আমাদের হাজারের বেশি কর্মী এসেছে বৈঠকে। এখানে বিরোধীরা প্রার্থী দিতে পারবে না।

 

বন্ধ করুন