বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > জেলা পরিষদের সভাধিপতি, সহ–সভাপতি হতে চান?‌ বায়োডাটা চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস
মালদহ জেলা পরিষদ। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য এএনআই)
মালদহ জেলা পরিষদ। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য এএনআই)

জেলা পরিষদের সভাধিপতি, সহ–সভাপতি হতে চান?‌ বায়োডাটা চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস

  • জুন মাসের ১৬ তারিখ এই দুই পদের নির্বাচন হওয়ার কথা। তাই ১০ তারিখের মধ্যে আগ্রহী ব্যক্তিদের বায়োডাটা জমা করতে বলেছেন নেতারা।

এবার অভিনব পদ্ধতিতে জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও সহ–সভাধিপতি পদে নিয়োগ করতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। কী সেই অভিনব পদ্ধতি?‌ জানা গিয়েছে, এই পদে নিয়োগের জন্য আগ্রহী সদস্যদের কাছ থেকে বায়োডাটা চাইলেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। যা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। জুন মাসের ১৬ তারিখ এই দুই পদের নির্বাচন হওয়ার কথা। তাই ১০ তারিখের মধ্যে আগ্রহী ব্যক্তিদের বায়োডাটা জমা করতে বলেছেন নেতারা।

স্থানীয় সূত্রে খবর, তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগী দুই জেলা পরিষদ সদস্যর সদস্যপদ খারিজ হয়েছে। গত ৩ জুন তাঁদের সদস্যপদ খারিজের নির্দেশ দেন মালদহের ডিভিশনাল কমিশনার। সূত্রের খবর, ওই দুই সদস্য হলেন দ্রোপদী ঘোষ এবং নাসির শেখ। বেলডাঙার তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা পরিষদের সদস্য দ্রোপদী ঘোষ একুশের নির্বাচনের আগে কলকাতায় বিজেপির অফিসে গিয়ে নাম লিখিয়ে আসেন। আর রঘুনাথগঞ্জের তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা পরিষদ সদস্য নাসির শেখ কংগ্রেস অফিসে গিয়ে নাম লিখিয়ে আসেন। এমনকী তিনি নির্দল প্রার্থী হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে পরাজিত হন। জেলা পরিষদের তৃণমূল কংগ্রেসের দলনেতা তজিমুদ্দিন খান মালদহের ডিভিশনাল কমিশনারের কাছে দলত্যাগ বিরোধী আইনে তাঁদের সদস্যপদ খারিজের আবেদন জানান। এরপর ভার্চুয়াল শুনানিও হয়। তখন মালদহের ডিভিশনাল কমিশনার গোলাম আলি আনসারি তাঁদের সদস্যপদ খারিজ করেন।

বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল সাফল্যের পর তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা সংগঠন–সহ সর্বস্তরেই স্বচ্ছ ভাবমূর্তি তুলে আনবার চেষ্টা করছেন। আর তাই নতুন করে জেলা সভাধিপতির পদে কাউকে বসানোর আগে সেই সদস্যের ভাবমূর্তির দিকেও নজর দিতে চাইছেন তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্য নেতৃত্ব। এখন দলের ৬৫ জন জেলা পরিষদের সদস্যদের কোনও একজনের মধ্যে সব গুণ কার আছে তা বাছতে ঘাম ছুটেছে তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির নেতারা। উদ্ভূত পরিস্থিতির সমাধান খু্ঁজতে জেলার জোড়া মন্ত্রী–সহ কোর কমিটির প্রায় সব সদস্যই জরুরি বৈঠকে বসেছিলেন। তখন সেখানে জেলা পরিষদের সকল সদস্যদের কাছেই ওই পদে বসতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের কাছ থেকে বায়োডাটা চাওয়া হয়েছে বলে খবর। এবার জীবনপঞ্জী পড়ে ওই ব্যক্তির শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাও জানা যাবে।

এই বিষয়ে জেলা সভাপতি আবু তাহের খান বলেন, ‘‌বায়োডাটা রাজ্য নেতৃত্বের কাছে পাঠানো হবে। তাদের সঙ্গে আলোচনার সাপেক্ষেই ঠিক হবে জেলা পরিষদের পরবর্তী সভাধিপতি ও সহ–সভাধিপতি পদে কে বসবেন।’‌ জুন মাসের ১৬ তারিখ জেলা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ দুই পদের নির্বাচনের আগের দিন ১৫ তারিখ জেলার সব বিধায়ক, জেলা পরিষদের সব সদস্যদের নিয়ে জেলার শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে একটি বৈঠকও ডাকা হয়েছে।

বন্ধ করুন