বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > মমতার সভায় প্ল্যাকার্ড দেখিয়ে দাবি পেশ, পালটা ভর্ৎসনা তৃণমূলনেত্রীর
বুধবার গোপালনগরের জনসভায় তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 
বুধবার গোপালনগরের জনসভায় তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

মমতার সভায় প্ল্যাকার্ড দেখিয়ে দাবি পেশ, পালটা ভর্ৎসনা তৃণমূলনেত্রীর

  • মমতার ভাষণ কিছুটা এগোতেই সভার সামনের দিকে প্ল্যাকার্ড হাতে নিজেদের দাবিদাওয়া জানাতে থাকেন কিছু অস্থায়ী সরকারি কর্মী। যার যেরে ক্ষুব্ধ হন মমতা, ‘বলেন আমাকে প্ল্যাকার্ড দেখিয়ে লাভ নেই।

ফের প্রকাশ্য সভায় মেজাজ হারালেন মমতা। বারবার বাধায় ‘মিটিং নষ্ট করলেন’ বলে বিক্ষোভকারীদের ভর্ৎসনা করলেন তৃণমূলনেত্রী। বুধবার উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগরে তৃণমূলের জনসভায় ঘটে এই ঘটনা। এদিনের সভায় মতুয়াদের মন জয়ের চেষ্টা করেন মমতা। সঙ্গে ফের ‘বহিরাগত গুন্ডা’ বলে বেঁধেন বিজেপিকে। 

এদিন গোপালনগরে মমতা বক্তব্য রাখতে শুরু করতেই সভামঞ্চের সামনে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। ব্যারিকেড ভেঙে সামনের দিকে এগিয়ে আসার চেষ্টা করে ভিড়। ফলে কয়েক লাইন বলেই থামতে হয় মমতাকে। পুলিশ ও উপস্থিত দলীয় কর্মীদের ভিড় সামলাতে নির্দেশ দেন তিনি। বলেন, মহিলাদের ব্যারিকেডের সামনে পাঠিয়ে দিতে। যার জেরে প্রায় ৫ মিনিট বক্তব্য রাখা বন্ধ করতে হয় তৃণমূলনেত্রীকে। 

মমতার ভাষণ কিছুটা এগোতেই সভার সামনের দিকে প্ল্যাকার্ড হাতে নিজেদের দাবিদাওয়া জানাতে থাকেন কিছু অস্থায়ী সরকারি কর্মী। যার যেরে ক্ষুব্ধ হন মমতা, ‘বলেন আমাকে প্ল্যাকার্ড দেখিয়ে লাভ নেই। আপনাদের দাবি মেনে ২০ দিনের কর্মদিবস ইতিমধ্যে ৪০ দিন করে দেওয়া হয়েছে। তার থেকে বেশি কিছু দাবি থাকলে দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে লিখিত আকারে জানান।’

তবে তাতেও থামেনি বিক্ষোভ। সভার শেষ পর্যন্ত নিজেদের দাবি জানিয়ে যেতে থাকেন অস্থায়ী সরকারি কর্মীরা। ফের বিক্ষোভকারীদের ভর্ৎসনা করে মমতা বলেন, ‘আমার দ্বারা যতটা সম্ভব আমি করে দিই। আমি আইন মেনে চলি। আইনের বাইরে কোনও কাজ করতে পারি না। আপনারা আমার মিটিংটা নষ্ট করে দিলেন।’ 

মমতা বলেন, ‘কোনও দাবিদাওয়া থাকলে আমার বাড়িতে বা সরকারি দফতরে লিখিত আকারে জানাতে পারেন। কিন্তু দলীয় মঞ্চ থেকে সরকারি সুযোগ সুবিধা ঘোষণা করা যায় না’।

 

বন্ধ করুন