বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ভোটের মুখে সিঙ্গুরের জমিকে ‘চাষযোগ্য’ করতে মাঠে মমতা সরকার
সিঙ্গুরের জমিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি, সৌজন্য টুইটার)
সিঙ্গুরের জমিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি, সৌজন্য টুইটার)

ভোটের মুখে সিঙ্গুরের জমিকে ‘চাষযোগ্য’ করতে মাঠে মমতা সরকার

  • জমি পরিদর্শন ও জরিপের কাজ করে গেলেন হুগলি জেলা সেচ দফতরের কর্তারা।

আবার সিঙ্গুরকে টার্নিং পয়েন্ট করা হচ্ছে। বিধানসভা নির্বাচনের মুখে সিঙ্গুরের সেই জমিকে ফের ‘চাষযোগ্য’ করে তুলতে মাঠে নামল রাজ্য সরকার। জমি পরিদর্শন ও জরিপের কাজ করে গেলেন হুগলি জেলা সেচ দফতরের কর্তারা। সুতরাং এই সিঙ্গুর নিয়ে বিজেপি যে বাজিমাত করতে চাইছিল বিজেপি, সেই সিঙ্গুরকেই টার্নিং পষেন্ট করতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

সেচ দফতর সূত্রে খবর, পাঁচটি মৌজার জমিতে জল জমে আছে। ওই সমস্যা সমাধানে শীঘ্রই কাজ শুরু করা হবে। চাষিদের সমস্যা মিটে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০১৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরে বর্তমান রাজ্য সরকার বাম আমলে টাটাদের গাড়ি কারখানার জন্য অধিগৃহীত প্রায় ১,০০০ একর জমি কৃষকদের ফিরিয়ে দিয়েছে। ‘চাষযোগ্য’ করেই সেই জমি ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলে রাজ্য সরকারের দাবি।

চাষিদের অভিযোগ, গোপালনগরের ৪০০ একর জমি নেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে ১৫০ একর জমিই নীচু। কৃষিজমিতে জল দাঁড়িয়ে থাকে। ওই জমি চাষের অযোগ্য। খাসেরভেড়িতে মোট ৫০ একর এবং সিংহেরভেড়ি এলাকায় ২০ একর জমিতেও একই সমস্যা রয়েছে। বেড়াবেড়ি এবং বাজেমিলিয়া এলাকারও অন্তত ২৫ একর জমি এখনও চাষযোগ্য নয়।

জেলা সিপিএম সম্পাদক দেবব্রত ঘোষ বলেন, ‘ভোট আসছে তাই রাজ্য সরকারের সিঙ্গুরের চাষিদের কথা মনে পড়েছে। বিধানসভা ভোটের মুখে এটা আরও একটা ভাঁওতা।’‌ বিজেপি‌র হুগলি সাংগঠনিক জেলার সহ–সভাপতি সঞ্জয় পাণ্ডে বলেন, ‘ক্ষমতায় আসার পর থেকে তৃণমূল এখানকার চাষিদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলেছে।’‌

বন্ধ করুন