বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Mamata-Suvendu: শীতের জঙ্গলমহলে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দামামা, একইদিনে সভা মমতা–শুভেন্দুর!‌

Mamata-Suvendu: শীতের জঙ্গলমহলে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দামামা, একইদিনে সভা মমতা–শুভেন্দুর!‌

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারী। (ছবি সৌজন্য টুইটার)

রাজ্যে এসটি সংরক্ষিত বিধানসভা আসন ১৬টি। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ১৩টি আসনে এগিয়ে ছিল বিজেপি। তৃণমূল এগিয়ে ছিল মাত্র তিনটিতে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে হারানো জমি অনেকটাই উদ্ধার করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে আদিবাসী অস্ত্রে শান দিতেই জঙ্গলমহলে শাসক–বিরোধীকে একদিনে দেখা যাবে।

ইতিমধ্যেই পারদ নীচের দিকে নেমেছে। তাই শীতের অনুভূতি পেয়েছে জঙ্গলমহল। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য– রাজনীতির হাওয়া গরম। কারণ মঙ্গলবার ঝাড়গ্রাম সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি কর্মিসভা থেকে শুরু করে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন বলেই সূত্রের খবর। আবার একইদিনে জঙ্গলমহল অঞ্চলের গোপীবল্লভপুরে সুকান্ত মজুমদারের সভা রয়েছে। এমনকী মঙ্গলবারই বাঁকুড়ায় শুভেন্দু অধিকারীরও সভা রয়েছে। ফলে জঙ্গলমহলে শীতের পারদের সঙ্গে রাজনীতির পারদের সরাসরি টক্কর লাগতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ঠিক কী জানা যাচ্ছে?‌ সূত্রের খবর, বছর ঘুরলেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাই জেলায় জেলায় সফর করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দেখে নিচ্ছেন সরকারি সমস্ত প্রকল্প মানুষের দুয়ারে পৌঁছেছে কিনা। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার ঝাড়গ্রাম সফর রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। তবে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সভা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। এখন দুই ফুলের নজর আদিবাসী ভোটব্যাঙ্কে। ইতিমধ্যেই অখিল কাণ্ডে খানিকটা উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। সেটাই কাজে লাগাতে চায় বিজেপি।

ঠিক কী হতে চলেছে?‌ আগামী কাল, ১৫ নভেম্বর আদিবাসী নেতা বিরসা মুণ্ডার জন্মদিনের অনুষ্ঠান রয়েছে ঝাড়গ্রামে। সেদিনই ঝাড়গ্রামে মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাও আছে। বিজেপিও চাইছে এই জন্মদিন উপলক্ষ্যে নিজেদের দিকে ঝোল টানতে। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস প্রত্যেক বছরই এই দিন পালন করে থাকে। সেখানে বিজেপির এই নয়া সংযোজন রাজনীতির স্বার্থেই বলে মনে করা হচ্ছে। তাই গোপীবল্লভপুরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সভা রয়েছে। আর শুভেন্দু অধিকারীর সভার অনুমতি দিয়ে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‌আমরা দেখব কেন সভা বাতিল করেছে প্রশাসন। প্রয়োজনে আমরা আদালতে যাব। প্রশাসনের এমন করে সভা বাতিলের অধিকার আছে কি না সেটাও আমাদের দেখতে হবে। এটা তো মামাবাড়ি নয়।’‌

উল্লেখ্য, রাজ্যে এসটি সংরক্ষিত বিধানসভা আসন ১৬টি। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ১৩টি আসনে এগিয়ে ছিল বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে ছিল মাত্র তিনটিতে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে হারানো জমি অনেকটাই উদ্ধার করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এদিকে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে আদিবাসী অস্ত্রে শান দিতেই জঙ্গলমহলে শাসক–বিরোধীকে একদিনে দেখা যাবে। অন্যদিকে একুশের নির্বাচনে এসটি সংরক্ষিত ৯টি আসনে জয়ী হয় তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি পায় ৭টি আসন। এখন দেখার পঞ্চায়েত নির্বাচনে কি হয়।

বন্ধ করুন