নদীর পারে মৃত মারু বাউরির দেহ বেঁধে রেখেছেন গ্রামবাসীরা। 
নদীর পারে মৃত মারু বাউরির দেহ বেঁধে রেখেছেন গ্রামবাসীরা। 

লকডাউনের জেরে সাঁতরে দামোদর পেরিয়ে বাড়ি ফিরতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত ১

  • স্বামীকে অচেতন হতে দেখে চিৎকার করে পাড়ে থাকা মানুষজনকে ডাকেন স্ত্রী। স্থানীয়রা এসে দেহটি উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়। 

লকডাউনের জেরে সাঁতরে দামোদর পেরিয়ে বাড়ি ফিরতে গিয়ে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। মৃত মারু বাউরি (৫০) বাঁকুড়ার নামো মেজিয়ার বাসিন্দা। বুধবার সকালে স্ত্রীর সঙ্গে সাঁতরে দামোদর পেরোতে যান তিনি। মাঝনদীতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। 

নিহতের স্ত্রী জানিয়েছেন, দিন পাঁচেক আগে নদের ওপারে পশ্চিম বর্ধমানের রানিগঞ্জের আমড়াসতা গ্রামে মেয়ের বাড়ি গিয়েছিলেন দম্পতি। এভাবেই সাঁতরে নদী পেরিয়ে যান তাঁরা। বুধবার ফেরার সময় ঘটে অঘটন। মাঝ নদীতে হঠাৎই হৃদরোগে আক্রান্ত হন মারু বাউরি। অচেতন হয়ে নদীর জলে ভাসতে থাকেন। 

স্বামীকে অচেতন হতে দেখে চিৎকার করে পাড়ে থাকা মানুষজনকে ডাকেন স্ত্রী। স্থানীয়রা এসে দেহটি উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। 

জানা গিয়েছে, স্থানীয় একটি ঝিলের দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন মারুবাবু। ফলে সাঁতারে দক্ষ ছিলেন তিনি। সেই প্রত্যয়েই সাঁতরে দামোদর পেরিয়ে গিয়েছিলেন মেয়ের বাড়ি। 

চিকিৎসকরা বলছেন, মে-র দ্বিতীয় সপ্তাহে ৪০ পার করেছে পারদ। এই পরিস্থিতিতে মাত্রাতিরিক্ত পরিশ্রমের ফলে সান স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন তিনি। 

বন্ধ করুন