আইনত নিষিদ্ধ হলেও প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় নিয়মিত মোরগ লড়াইয়ের আয়োজন হয়।
আইনত নিষিদ্ধ হলেও প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় নিয়মিত মোরগ লড়াইয়ের আয়োজন হয়।

লড়াকু মোরগের পায়ের ছুরি বিঁধে প্রাণ হারালেন যুবক

  • আইনত নিষিদ্ধ হলেও প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় নিয়মিত মোরগ লড়াইয়ের আয়োজন হয়। লড়াইয়ে নিজেদের মোরগ নামাতে এবং তার উপর বাজি ধরতে দলে দলে গ্রামবাসী ভিড় করেন।

লড়াকু পোষা মোরগের পায়ে বাঁধা ছুরির আঘাতে জখম হয়ে মৃত্যু হল পুরুলিয়ার বাসিন্দা বছর পঁচিশের অসীম মাহাতোর।

হুড়া থানার ওসি তারাপদ মণ্ডল জানিয়েছেন, ‘পালগা গ্রামে মোরগ লড়াইয়ের আসর বসেছিল। অসীম মাহাতোর একটি মোরগ লড়াইয়ে নেমেছিল। দুই লড়াইবাজ মোরগের কাছে দাঁড়িয়ে নিজের পাখিটিকে উত্সাহ দিতে চেঁচাচ্ছিলেন অসীম। হঠাত্ একটি পাখি উড়ে এসে তাঁর উপরে পড়ে। তার পায়ে বাঁধা ছুরির ফলায় অসীমের গোড়ালির ধমনী কেটে গিয়ে গভীর ক্ষত তৈরি হয়।’

সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে পুরুলিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই রাতে তাঁর মৃত্যু হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় নিয়মিত এমন মোরগ লড়াইয়ের আয়োজন হয়। লড়াইয়ে নিজেদের মোরগ নামাতে এবং তার উপর বাজি ধরতে দলে দলে গ্রামবাসী ভিড় করেন। লড়াইয়ে মৃত পাখি বিজেতা মোরগের মালিকের পাওনা হয়।

ভারতে মোরগ লড়াই বহু বছর যাবত্ নিষিদ্ধ হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট এই খেলার উপরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তা সত্ত্বেও আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে টিকে রয়েচে এই জুয়ার চল। গত জানুয়ারি মাসে অন্ধ্র প্রদেশে একই রকম দুর্ঘটনায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

বন্ধ করুন