বাড়ি > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > মৃত্যুর পর ১৭ ঘণ্টা বাড়িতেই পড়ে রইল করোনায় মৃতের দেহ
প্রতীকি ছবি
প্রতীকি ছবি

মৃত্যুর পর ১৭ ঘণ্টা বাড়িতেই পড়ে রইল করোনায় মৃতের দেহ

  • স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির প্রতিনিধি জানিয়েছেন, বৃদ্ধে মৃত্যুর খবর তাঁদের গভীর রাতে জানানো হয়েছে। লকডাউনের মধ্যে ডেথ সার্টিফিকেটের জন্য কোনও চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

ফের করোনায় মৃত ব্যক্তির দেহ সৎকারে গাফিলতির অভিযোগ প্রশাসনের বিরুদ্ধে। যার জেরে ১৭ ঘণ্টা বাড়িতেই পড়ে রইল দেহ। ঘটনা সোনারপুরের মাদুরদহের কিশানবাজার এলাকার। স্থানীয়দের অভিযোগ, পঞ্চায়েত-পুলিশ সবাইকে জানালেও কাজ হয়নি। দেহ দীর্ঘক্ষণ পড়ে থাকায় নতুন করে সংক্রমণ ছড়ানোয় আশঙ্কায় ভুগছেন স্থানীয়রা। 

জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে করোনার উপসর্গে ভুগছিলেন বৃদ্ধ। বৃহস্পতিবার তাঁর লালারসের নমুনা সংগ্রহ হয়। গতকাল রাতে বাড়িতেই মৃত্যু হয় ৭১ বছর বয়সী ওই বৃদ্ধের। তার পর প্রতিবেশীরা জানতে পারেন তিনি করোনা আক্রান্ত ছিলেন। যদিও পরিবারের লোকের দাবি, বৃদ্ধ যে করোনা আক্রান্ত তা তাঁরা জানতে পেরেছেন বৃদ্ধের মৃত্যুর পর।

এই অবস্থায় সারা রাত বাড়িতেই পড়ে থাকে বৃদ্ধের দেহ। অভিযোগ, পুলিশ ও পঞ্চায়েতকে একাধিকবার দেহ সৎকারের অনুরোধ করেও কাজ হয়নি। সকালে বিষয়টি নিয়ে শোরগোল শুরু হলে নড়েচড়ে বসে স্থানীয় পঞ্চায়েত। বৃদ্ধের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট ও ডেথ সার্টিফিকেট জোগাড় করা হয়। এর পর দেহ সৎকারের ব্যবস্থা হয়। 

স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির প্রতিনিধি জানিয়েছেন, বৃদ্ধে মৃত্যুর খবর তাঁদের গভীর রাতে জানানো হয়েছে। লকডাউনের মধ্যে ডেথ সার্টিফিকেটের জন্য কোনও চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। তাছড়া করোনায় মৃতের দেহ সৎকারে পুলিশ ও বিডিওর অনুমতি লাগে। তাও জোগাড় করতে সময় লেগেছে তাই দেরি। 

বলে রাখি, এবারই প্রথম নয়, করোনায় আক্রান্ত কোনও ব্যক্তির বাড়িতে মৃত্যু হলে দেহ সৎকারে প্রশাসন সময় নিচ্ছে বলে অভিযোগ স্বজনদের। প্রশাসনের দাবি, খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ করা হচ্ছে। কিন্তু সমস্ত কাগজপত্র তৈরি করে দেহ সৎকার করতে একটু সময় লাগছে।

 

বন্ধ করুন