বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > একদিকে করোনা আবহ, অন্যদিকে শুলি পোকা, অথৈ জলে মালদার আম চাষিরা
আমের মরসুমের দিকেই তাকিয়ে থাকেন মালদার অনেকেই (ফাইল ছবি)
আমের মরসুমের দিকেই তাকিয়ে থাকেন মালদার অনেকেই (ফাইল ছবি)

একদিকে করোনা আবহ, অন্যদিকে শুলি পোকা, অথৈ জলে মালদার আম চাষিরা

  • আমের মরসুমের দিকেই বছরভর তাকিয়ে থাকেন চাষিরা। কিন্তু সেই আমের বাজারও এবার মন্দা

মালদার বিস্তীর্ণ অংশের মানুষ আম চাষের উপর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। আমের মরসুম মানেই একেবারে নাওয়াখাওয়া থাকে না আম চাষি থেকে আম ব্যবসায়ীদের। আম রফতানির সঙ্গে যুক্ত মালদার হাজার হাজার মানুষ। ব্যবসায়ীদের একাংশের দাবি গতবছরও করোনা আবহে আমের কারবার লাটে উঠেছিল। এবারও সেই একই ছবি। আম রফতানিতে ভাটা পড়েছে। এর সঙ্গেই বাগানে বাগানে শুলি পোকার আক্রমণ। বিঘার পর বিঘা আম বাগানে পোকার আক্রমণ হচ্ছে। প্রচুর আম নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আম কালো হয়ে ঝড়ে পড়ে যাচ্ছে।

এদিকে চড়া সুদে টাকা ধার নিয়ে অনেকেই আমবাগান জমা নিয়েছিলেন। আচমকা শুলি পোকার আক্রমণে তাঁদেরও কার্যত মাথায় হাত পড়ে গিয়েছে। লাভের মুখ দেখা তো দূরের কথা, এখন খরচ তোলাটাই বড় চ্যালেঞ্জ আম চাষিদের কাছে। এদিকে এব্যাপারে এখনও ব্যবস্থা না নিতে পারলে আগামী দিনে মালদার বড় অংশের আম চাষিরা কার্যত পথে বসবেন। এমনটাই আশঙ্কা চাষিদের।

তবে উদ্যান পালন দফতরের দাবি, গত ৪-৫ বছর ধরেই এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। আম যখন ছোট থাকে তখন থেকেই এই পোকার আক্রমণ শুরু হয়। মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত এর দাপট থাকে। এক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত আম যেগুলি ঝড়ে পড়ছে সেগুলিকে সরিয়ে ফেলতে হবে। প্রয়োজনে চাষিরা প্রতিকারের জন্য কৃষি ও উদ্যান পালন দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। 

 

মালদার বিস্তীর্ণ অংশের মানুষ আম চাষের উপর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। আমের মরসুম মানেই একেবারে নাওয়াখাওয়া থাকে না আম চাষি থেকে আম ব্যবসায়ীদের। আম রফতানির সঙ্গে যুক্ত মালদার হাজার হাজার মানুষ। ব্যবসায়ীদের একাংশের দাবি গতবছরও করোনা আবহে আমের কারবার লাটে উঠেছিল। এবারও সেই একই ছবি। আম রফতানিতে ভাটা পড়েছে। এর সঙ্গেই বাগানে বাগানে শুলি পোকার আক্রমণ। বিঘার পর বিঘা আম বাগানে পোকার আক্রমণ হচ্ছে। প্রচুর আম নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আম কালো হয়ে ঝড়ে পড়ে যাচ্ছে।

এদিকে চড়া সুদে টাকা ধার নিয়ে অনেকেই আমবাগান জমা নিয়েছিলেন। আচমকা শুলি পোকার আক্রমণে তাঁদেরও কার্যত মাথায় হাত পড়ে গিয়েছে। লাভের মুখ দেখা তো দূরের কথা, এখন খরচ তোলাটাই বড় চ্যালেঞ্জ আম চাষিদের কাছে। এদিকে এব্যাপারে এখনও ব্যবস্থা না নিতে পারলে আগামী দিনে মালদার বড় অংশের আম চাষিরা কার্যত পথে বসবেন। এমনটাই আশঙ্কা চাষিদের।

তবে উদ্যান পালন দফতরের দাবি, গত ৪-৫ বছর ধরেই এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। আম যখন ছোট থাকে তখন থেকেই এই পোকার আক্রমণ শুরু হয়। মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত এর দাপট থাকে। এক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত আম যেগুলি ঝড়ে পড়ছে সেগুলিকে সরিয়ে ফেলতে হবে। প্রয়োজনে চাষিরা প্রতিকারের জন্য কৃষি ও উদ্যান পালন দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। 

 

|#+|

 

 

 

 

 

 

বন্ধ করুন