বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Mecheda Fire: মেচেদায় ভয়াবহ আগুন, ঘুমন্ত অবস্থায় ঝুপড়িতে ঝলসে মৃত্যু বাবা-মেয়ের

Mecheda Fire: মেচেদায় ভয়াবহ আগুন, ঘুমন্ত অবস্থায় ঝুপড়িতে ঝলসে মৃত্যু বাবা-মেয়ের

এভাবেই আগুন ধরে যায় মেচেদায়। 

স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। কিন্ত ততক্ষণে একের পর এক ঝুপড়িকে গ্রাস করেছে আগুনের লেলিহান শিখা। এদিকে দাহ্য পদার্থ দিয়েই তৈরি হয়েছিল এই ঝুপড়ি। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে একের পর এক ঝুপড়ি।

মেচেদায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড! মেচেদা রেল স্টেশনের কাছে সারি সারি ঝুপড়ি রয়েছে। সেখানেই বুধবার ভোর রাতে আচমকা আগুন লাগে। দাউ দাউ করে জ্বলে যায় একের পর এক ঝুপড়ির ঘর। এদিকে আগুন ঝলসে গিয়ে মৃত্য়ু হয়েছে দুজনের। স্থানীয় সূত্রে এমনটাই খবর। মৃত দুজন সম্পর্কে বাবা ও মেয়ে। দমকলের একাধিক ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। ঠিক কী হয়েছিল ঘটনাটি?

সূত্রের খবর, এদিন ভোরে ঝুপড়ির ঘরে রান্না করছিলেন এক মহিলা। এমন সময় বাইরে আগুনের শিখা দেখে বেরিয়ে আসেন তিনি। দেখেন দাউ দাউ করে জ্বলছে ঘর। এরপরই তিনি চিৎকার শুরু করে দেন। প্রবল ঠান্ডার মধ্যে অনেকেই ঘরের মধ্যে ছিলেন। ঘরের মধ্যে ঘুমোচ্ছিলেন বাবা ও মেয়ে। আগুনের গ্রাসে আটকে পড়েন তারা। আর বের হওয়ার সুযোগ পাননি তারা। জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় তাদের।

স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। কিন্ত ততক্ষণে একের পর এক ঝুপড়িকে গ্রাস করেছে আগুনের লেলিহান শিখা। এদিকে দাহ্য পদার্থ দিয়েই তৈরি হয়েছিল এই ঝুপড়ি। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে একের পর এক ঝুপড়ি। দমকলের একাধিক ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে আসে। তারা আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।

কিন্তু ততক্ষণে অন্তত ১৫টি ঝুপড়ি পুড়ে গিয়েছে। আগুন যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য চেষ্টা করেন দমকল কর্মীরা। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষে। বাসিন্দাদের মধ্যে প্রবল আতঙ্ক ছড়ায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সাধারণত ভোরবেলা অনেকে কাজে বের হন। সেকারণে রান্না করা হচ্ছিল। হয়তো ওই রান্নার আগুন থেকেই কোনওভাবে আগুন ধরে গিয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে ঝুপড়ির ঘরে ঘুমিয়ে ছিল একটি পরিবার। তারা আর বের হওয়ার সুযোগ পাননি। ঘুমন্ত অবস্থাতেই আগুনে ঝলসে যান তারা। দমকল তাদের ঝলসে যাওয়া দেহ উদ্ধার করে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাদের মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

তবে সূত্রে খবর, বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। কীভাবে আগুন লেগেছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সব হারিয়ে একেবারে পথে বসেছেন গরিব ঝুপড়িবাসীরা। অনেকের জীবনের সব সঞ্চয় শেষ হয়ে গিয়ে আগুনের গ্রাসে। শীতের মধ্যে পরিবার নিয়ে তারা কোথায় যাবেন ভেবে পাচ্ছেন না। দুজনের মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

বন্ধ করুন