বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ভাঙা বাঁধ পরিদর্শনে গিয়ে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে মমতা সরকারের মন্ত্রী
প্রতীকি ছবি।

ভাঙা বাঁধ পরিদর্শনে গিয়ে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে মমতা সরকারের মন্ত্রী

  • এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার সেখানে প্লাবন পরিস্থিতি দেখতে পৌঁছন বঙ্কিমবাবু। তাঁকে দেখেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীদের একাংশ। তাদের দাবি, বর্ষার আগে একাধিক বার বাঁধ মেরামতি করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল তৃণমূলের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের।

কোটালের জলে প্লাবিত সাগরদ্বীপে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা। শুক্রবার সাগরের বঙ্কিমনগরে গিয়ে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে পড়েন বঙ্কিমবাবু। এলাকাবাসীর অভিযোগ। বহুবার অনুরোধ করলেও বাঁধ মেরামতির কাজে গুরুত্ব দেয়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। তার জেরেই মরশুমের প্রথম কোটালে ভেসে গিয়েছে ঘর – বাড়ি, চাষ - আবাদ।

গুরু পূর্ণিমার কোটালে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূলবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা। প্রবল জলোচ্ছাসে ভেসে গিয়েছে ঘর বাড়ি। কোটালের ব্যাপক প্রভাব পড়েছে সাগরের বঙ্কিমনগরে। সেখানে বাঁধ ভেঙে গ্রামে ঢুকে পড়েছে জল। যার জেরে অল্প বিস্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ২০০ বাড়ি। ভেসে গিয়েছে কয়েক শো বিঘা জমির ফসল। ভেসে গিয়েছে বেশ কয়েকটি মাছের ভেড়ি। এক কথায় সর্বস্ব হারিয়েছেন কয়েকটি গ্রামেরা বাসিন্দারা।

এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার সেখানে প্লাবন পরিস্থিতি দেখতে পৌঁছন বঙ্কিমবাবু। তাঁকে দেখেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীদের একাংশ। তাদের দাবি, বর্ষার আগে একাধিক বার বাঁধ মেরামতি করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল তৃণমূলের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের। কিন্তু কাজ হয়নি। যার ফলে আজ পথে বসতে হয়েছে গোটা গ্রামকে।

জবাবে বঙ্কিমবাবু বলেন, ‘যে ঠিকাদার সংস্থাকে কাজ দেওয়া হয়েছিল তারা ঠিক মতো কাজ করেনি।’ এই ঘটনায় তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ২০২০ সাল থেকে রাজ্যে বাঁধ মেরামতির কোনও কাজ হয় না। কারণ সরকারের পয়সা নেই। আর যে কটা কাজ হয় তার টেন্ডার বিলি কী ভাবে হয় তার নমুনা সাগর পঞ্চায়েত থেকে ফাঁস হওয়া নথি থেকে আমরা পেয়েছি।

 

বন্ধ করুন