বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > 'অজুহাতে খোলা হচ্ছে না রেয়ন কারখানা,' সময় বেঁধে দিলেন বিধায়ক
বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। ছবি সৌজন্য ; ফেসবুক
বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। ছবি সৌজন্য ; ফেসবুক

'অজুহাতে খোলা হচ্ছে না রেয়ন কারখানা,' সময় বেঁধে দিলেন বিধায়ক

  • বার বার নানা স্তরে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু কারখানা খোলার ব্যাপারে এখনও জট খোলেনি।

দেখতে দেখতে প্রায় তিন মাস হতে চলল। এখনও বন্ধ রয়েছে হুগলির কুন্তীঘাটের কেশোরাম রেয়ন ফ্যাক্টরির দরজা। কার্যত অথৈ জলে পড়েছেন শ্রমিকরা। বার বার নানা স্তরে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু কারখানা খোলার ব্যাপারে এখনও জট খোলেনি। বকেয়া পাওনা কবে শ্রমিকরা পাবেন তা নিয়েও নানা সংশয় তৈরি হয়েছে। একেবারে অনিশ্চয়তার অন্ধকার নেমে এসেছে শ্রমিক পরিবারে। অন্যান্যবার বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে খুশিতে মেতে ওঠেন শ্রমিকরা। এবার সেদিনও ছিল বিষাদের সুর। 

এদিকে সেই বিশ্বকর্মা পুজোর বিকালেই স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার সবরকমভাবে কারখানা কর্তৃপক্ষের পাশে রয়েছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ নানা অজুহাতে কারখানা খুলছেন না। কারখানার দরজা আগে খুলতে হবে। তারপর কর্তৃপক্ষের আর্থিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা চলুক। তবে কোনও শ্রমিক ছাঁটাই চলবে না। ব্যাঙ্ক ঋণের ব্যাপারে তাঁরা রাজ্য সরকারকে সহযোগিতা করার কথা বলেছিলেন। সবরকমভাবে আমরা কর্তৃপক্ষের পাশে রয়েছি। তবে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগামী সোমবারের মধ্যে নিতে হবে। কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক।

এদিকে শ্রমিক নেতৃত্বের দাবি, ৪৫ বছরের বেশি বয়সী স্থায়ী শ্রমিকদেরও ছাঁটাই করার চেষ্টা চলছে। এরপর অস্থায়ী শ্রমিক দিয়ে কারখানা চালানো হবে। এটা মানা যায় না। এদিকে শ্রমমন্ত্রী বেচারাম মান্নার সঙ্গেও অন্তত চারবার কর্তৃপক্ষ বৈঠকে বসেছে। তারপরেও সমাধানসূত্রে মেলেনি। মনোরঞ্জন ব্যাপারী বলেন, কারাখানা কর্তৃপক্ষ বৈঠকে জানিয়েছিল ১ কোটিরও বেশি বিদ্যুৎ বিল বাকি রয়েছে। রাজ্যের তরফে সহানুভূতির সঙ্গে বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয়। পরে কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেন বিল মেটানো হয়েছে। এদিকে কারখানা সূত্রে খবর, আগে ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়ে শ্রমিকদের বকেয়া মেটানো হবে। তারপর কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত হবে।

 

বন্ধ করুন