বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভরতি রোগিনীর গা মুছিয়ে দেওয়ার নামে শ্লীলতাহানি! ধৃত স্বাস্থ্যকর্মী
স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভরতি রোগিনীর গা মুছিয়ে দেওয়ার নামে শ্লীলতাহানি! ধৃত স্বাস্থ্যকর্মী  (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)
স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভরতি রোগিনীর গা মুছিয়ে দেওয়ার নামে শ্লীলতাহানি! ধৃত স্বাস্থ্যকর্মী  (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)

স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভরতি রোগিনীর গা মুছিয়ে দেওয়ার নামে শ্লীলতাহানি! ধৃত স্বাস্থ্যকর্মী

  • মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁ মহকুমার পাল্লা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে

চিকিৎসা করাতে এসে স্বাস্থ্যকর্মীর হাতেই শ্লীলতাহানির শিকার হলেন মহিলা রোগী! স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভরতি রোগিনীর শ্লীলতাহানীর অভিযোগ উঠল এক চতুর্থ শ্রেণীর স্বাস্থ্যকর্মীর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার দুপুরে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁ মহকুমার পাল্লা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। নির্যাতিতা রোগিনীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ওই স্বাস্থ্যকর্মীকে গ্রেফতার করেছে গোপালনগর থানার পুলিশ।

নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, কীভাবে দিনে দুপুরে একজন পুরুষ কর্মী মহিলাদের ওয়ার্ডের ঢুকে পড়েছেন? এই নিয়ে চিকিৎসক-নার্সদের দায়িত্ববোধের উপরেও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।

আবার ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক ও নার্সদের পাল্টা দাবি, দুপুর বেলায় খাওয়ার জন্য গিয়েছিলেন তাঁরা। সেজন্য এই বিষয়ে কিছুই জানতে পারেননি কেউ। অবশ্য ঘটনাটি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত স্বাস্থ্যকর্মীর নাম সঞ্জীব বিশ্বাস। ওই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মী সঞ্জীব। গাইঘাটা থানার ভেন্না পাড়ার বাসিন্দা এই অভিযুক্ত। স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মধ্যে মহিলার শ্লীলতাহানীর অভিযোগে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

স্বাস্থ্য কেন্দ্র সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা ওই গৃহবধূ গোপালনগর থানা এলাকার পাল্লা পাড়ার বাসিন্দা। সোমবার রাতে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভরতি হন তিনি। সেখানকার একটি ঘরে একাই চিকিৎসারত রয়েছেন তিনি। অভিযোগ ওঠে, মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনার সময় সেখানে কোনও চিকিৎসক বা নার্স উপস্থিত ছিলেন না। সেই সুযোগে অভিযুক্ত সঞ্জীব ওই ঘরে ঢুকে পড়ে। তারপর তাঁর সঙ্গে জোর করে শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ নির্যাতিতার। তাঁর আরও অভিযোগ, অভিযুক্ত ওই কর্মী তাঁর গা মুছিয়ে দেওয়ার নাম করে জবরদস্তি তাঁকে শ্লীলতাহানি করেছে। বাড়ির লোক এসে পড়েছে বলায়, থতমত খেয়ে যায় অভিযুক্ত। তারপর সেখান থেকে তড়িঘড়ি পালায়। সেই সুযোগে কোনও মতে অভিযুক্তের হাত থেকে নিস্তার পান নির্যাতিতা। এরপর তিনি তাঁর স্বামীকে ফোন করে সমস্ত ঘটনা খুলে বলেন। নির্যাতিতার স্বামী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসে তাঁর স্ত্রীকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান।

একজন চতুর্থ শ্রেণীর পুরুষ কর্মী কীভাবে মহিলাদের ওয়ার্ডে ঢুকে পড়েন ,তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে নির্যাতিতার পরিবার। ঘটনার তদন্তে নেমেছে গোপালনগর থানার পুলিশ।

 

বন্ধ করুন