বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > 'ট্রেকিংয়ে যেতে বারণ করেছিলাম', তনুময়ের শেষ WhatsApp মেসেজ দেখে চলেছেন মা
উত্তরাখণ্ডে মৃতদের দেহ ফিরেছে কলকাতায় (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
উত্তরাখণ্ডে মৃতদের দেহ ফিরেছে কলকাতায় (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

'ট্রেকিংয়ে যেতে বারণ করেছিলাম', তনুময়ের শেষ WhatsApp মেসেজ দেখে চলেছেন মা

নবমীর দিনও ছেলের সঙ্গে কথা বলেছিলেন হোয়াটস অ্যাপে।

‌পুজোর সময়ে ট্রেকিংয়ে যেতে বার বার নিষেধ করেছিলেন পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু কথা শোনেননি তনুময় তিওয়ারি। ছেলের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর সেই আক্ষেপই বারবার করছিলেন শমিতা তিওয়ারি। এই হাহাকারের সুর এখন সন্তানহারা সব পরিবারের সদস্যদের মুখে।

উত্তরাখণ্ডে ট্রেকিং করতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে এই রাজ্যের একাধিক বাসিন্দার। তাঁদের মধ্যে হরিদেবপুরের কবরডাঙার বাসিন্দা তনুময় তিওয়ারিও রয়েছেন। বাড়ির একমাত্র ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে শোকে বিহ্বল তনুময়ের মা শমিতা তিওয়ারি। ছেলের সঙ্গে তাঁর হোয়াটসঅ্যাপে কথোপকথনের শেষ মেসেজগুলিই তিনি অনবরত দেখে চলেছেন। নবমীর দিনও ছেলের সঙ্গে কথা বলেছিলেন হোয়াটসঅ্যাপে। তখনও তনুময় বলেছিলেন, 'চিন্তা কর না।' ছেলেকে হারিয়ে আক্ষেপের সুরেই শমিতাদেবী জানান, বারবার ছেলেকে নিষেধ করেছিলেন। কিন্ত ছেলে শোনেননি।

এদিকে বারুইপুরের কল্যাণপুরের মেধাবী ছাত্র রিচার্ড মণ্ডলকে হারিয়েও একই অবস্থা পরিবারের। রিচার্ডের মামা পেশায় শিক্ষক স্বরূপ বাগ জানিয়েছেন, ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে হায়দরাবাদের একটি সফটওয়্যার কোম্পানিতে চাকরি পেয়েছিলেন রিচার্ড। করোনা পরিস্থিতিতে বাড়ি থেকেই কাজ চলছিল। আগামী ডিসেম্বর মাসে বিয়েও ঠিক হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এখন সব শেষ। রিচার্ডের পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবারই হিমাচল প্রদেশের সাংলা থেকে দেহ উদ্ধার হয়। এরপর ভিডিয়ো কল মারফত দেহ চিহ্নিত করা হয়েছে পরিবারের তরফে।

বন্ধ করুন