বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > National consumer forum: চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে ১ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা, খারিজ হল ৭ বছর পর
জাতীয় ক্রেতা সুরক্ষা আদালত।

National consumer forum: চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে ১ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা, খারিজ হল ৭ বছর পর

  • মামলার বয়ান অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত ২০১৪ সালে। ওভারিতে ক্যানসার ধরা পড়ায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্ত্রী সুস্মিতা মিটারকে ভর্তি করেছিলেন মাধবচাঁদ মিটার। অপারেশনের পর কেমোথেরাপি চলছিল। চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় সুস্মিতা দেবীর।

অভিযোগ ছিল চিকিৎসায় গাফিলতির। সেই অভিযোগে লক্ষাধিক টাকা নয়, মাত্র এক টাকার ক্ষতিপূরণ চিকিৎসক এবং হাসপাতালের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন এক ব্যক্তি। অবশেষে ৭ বছর পর সেই মামলাটি খারিজ হল। চিকিৎসায় গাফিলতি প্রমাণিত না হওয়ায় দমদমের বাসিন্দা মাধবচাঁদ মিটারের করা সেই মামলা খারিজ করল জাতীয় ক্রেতা সুরক্ষা আদালত।

আরও পড়ুন: অস্ত্রোপচারের পরেই মৃত্যু রোগীর, চিকিৎসায় গাফিলতির দায়ে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা

মামলার বয়ান অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত ২০১৪ সালে। ওভারিতে ক্যানসার ধরা পড়ায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্ত্রী সুস্মিতা মিটারকে ভর্তি করেছিলেন মাধবচাঁদ মিটার। অপারেশনের পর কেমোথেরাপি চলছিল। চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় সুস্মিতা দেবীর। মাধব চাঁদের অভিযোগ ছিল, যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের দেখার কথা ছিল সেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তাকে দেখেননি। তার পরিবর্তে অন্য চিকিৎসক দেখেছিলেন। পুরো ঘটনায় চিকিৎসক এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ আনেন তিনি। এই ঘটনায় চিকিৎসক এবং হাসপাতালের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করার পাশাপাশি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হিসেবে ১ টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে ২০১৫ সালে কলকাতার জেলা ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের দ্বারস্থ হন মাধব চাঁদ।

কলকাতা জেলা ক্রেতা সুরক্ষা আদালত তার মামলাটি খারিজ করে দিলে তিনি রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের দ্বারস্থ হন। রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা আদালতে জয়ী হন মাধবচাঁদ। তবে রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে জাতীয় ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের দ্বারস্থ হন চিকিৎসক এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শেষমেষ চিকিৎসক এবং হাসপাতালের কোনও গাফিলতি খুঁজে না পাওয়ায় তাদের অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার পাশাপাশি রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের রায় খারিজ করে দেয় জাতীয় ক্রেতা সুরক্ষা আদালত। নিম্ন আদালত থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ক্রেতা সুরক্ষা আদালত পর্যন্ত মামলাটি চলে প্রায় সাত বছর ধরে।

বন্ধ করুন