বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > কৃষি আইনের প্রতিবাদে জাতীয় সড়ক অবরোধ অনুগামীদের,লাঠি হাতে তেড়ে এলেন সিদ্দিকুল্লা
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টায় জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের পশ্চিমবঙ্গ শাখার সভাপতি তথা রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। ছবি : সংগৃহীত
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টায় জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের পশ্চিমবঙ্গ শাখার সভাপতি তথা রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। ছবি : সংগৃহীত

কৃষি আইনের প্রতিবাদে জাতীয় সড়ক অবরোধ অনুগামীদের,লাঠি হাতে তেড়ে এলেন সিদ্দিকুল্লা

  • ‘‌অবাধ্য’‌ অনুগামীদের পিঠে দিলেন কয়েক ঘা। পরে পাল্টা সিদ্দিকুল্লাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন অবরোধকারীরা। শেষে গাড়ির বনেটে উঠে আন্দোলন পরিচালনা করতে দেখা গেল রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে।

নেতার কথাই কানে তুললেন না অনুগামীরা। নির্দেশ অমান্য করে বুধবার পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে ২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করল জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের কয়েক’‌শ সদস্য, সমর্থক। শেষে গাড়ি থেকে নেমে লাঠি উঁচিয়ে এগিয়ে এলেন সংগঠনের পশ্চিমবঙ্গ শাখার সভাপতি তথা রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। ‘‌অবাধ্য’‌ অনুগামীদের পিঠে দিলেন কয়েক ঘা। পরে পাল্টা সিদ্দিকুল্লাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন অবরোধকারীরা। শেষে গাড়ির বনেটে উঠে আন্দোলন পরিচালনা করতে দেখা গেল রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে।

বুধবার নজিরবিহীন এই ঘটনাটি ঘটে গলসিতে ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর। এদিন কেন্দ্রের কৃষি আইনের প্রতিবাদে পথে নামে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ। কিন্তু সংগঠনের নেতা সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী চেয়েছিলেন, আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়ে তার পর অবরোধ করা হোক। কিন্তু তাঁর সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে এদিন সকাল থেকেই তাঁর অনুগামীরা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে ফেলেন। জাতীয় সড়কে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এই মুসলিম সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তাঁদের বক্তব্য, অবরোধ আগে হবে তার পর আলোচনা।

এর জেরে ঘটনাস্থলে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। আটকে পড়ে বহু ট্রাক, গাড়ি, এমনকী অ্যাম্বুল্যান্সও। জানা গিয়েছে, জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের অবরোধের জেরে এদিন ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিটের বেশি অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে ২ নম্বর জাতীয় সড়কের দুটো লেন। এদিন সকাল ৯টা থেকে দফায় দফায় অবরোধ চলে। পৌনে ১০টা থেকে একটানা দেড় ঘণ্টা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে জাতীয় সড়ক। একদিকে শক্তিগড়, অন্যদিকে দুর্গাপুর পর্যন্ত সারি দিয়ে আটকে থাকে গাড়ি। জমায়েত সরাতে এলে রীতিমতো পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় বিক্ষোভকারীদের। এক পুলিশকর্মী জখমও হন।

এর পরই লাঠি হাতে অবরোধ সরাতে যান সিদ্দিকুল্লা। কয়েকজন ‌‘‌অবাধ্য’‌ অনুগামীকে সরাতে তাঁদের ওপর লাঠিও চালাতে দেখা যায় রাজ্যের মন্ত্রীকে। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর সঙ্গে অবরোধকারীদের মতবিরোধও হয়। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান অবরোধকারীরা। এর পরই গাড়ির বনেটে উঠে লাঠি হাতে এই আন্দোলন পরিচালনা করেন সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ কিছুটা সময় লেগে যায়।

বন্ধ করুন