বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > শুভেন্দু বসায় ভেঙেছিল খাট, ময়নাগুড়ির নির্যাতিতা পরিবারকে কিনে দিল তৃণমূল
জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল যুব সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায় এই নতুন খাট পরিবারের হাতে তুলে দেন।
জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল যুব সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায় এই নতুন খাট পরিবারের হাতে তুলে দেন।

শুভেন্দু বসায় ভেঙেছিল খাট, ময়নাগুড়ির নির্যাতিতা পরিবারকে কিনে দিল তৃণমূল

  • বিজেপির প্রতিনিধিদল শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ময়নাগুড়ির নির্যাতিতার বাড়িতে পৌঁছয়। সেখানে গিয়ে তিনি ঘরের খাটে আরাম করে বসেন। আর তখনই খাট ভেঙে যায়। ফলে তিনি পড়ে যান। তারপর ধাতস্থ হতে একটু সময় লাগে তাঁর। এই ঘটনার পর পরিবারের পাশে তাঁরা আছে বললেও তেমন কোনও ভূমিকা নিতে দেখা যায়নি।

কয়েকদিন আগের কথা। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এসেছিলেন। ময়নাগুড়ির নির্যাতিতার পরিবারের পাশে থাকার বার্তা নিয়ে। কিন্তু তিনি এসে বাড়ির খাটে বসতেই ভেঙে পড়েছিল সেটি! এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন খাট কিনে দিল তৃণমূল কংগ্রেস। জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল যুব সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায় এই নতুন খাট পরিবারের হাতে তুলে দেন। পরিবারের পক্ষ থেকে এই সাহায্য গ্রহণ করা হয়েছে।

ঠিক কী ঘটেছিল সেদিন?‌ বিজেপির প্রতিনিধিদল শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ময়নাগুড়ির নির্যাতিতার বাড়িতে পৌঁছয়। সেখানে গিয়ে তিনি ঘরের খাটে আরাম করে বসেন। আর তখনই খাট ভেঙে যায়। ফলে তিনি পড়ে যান। তারপর ধাতস্থ হতে একটু সময় লাগে তাঁর। এই ঘটনার পর পরিবারের পাশে তাঁরা আছে বললেও তেমন কোনও ভূমিকা নিতে দেখা যায়নি।

কী হয়েছিল ময়নাগুড়ির নির্যাতিতার?‌ ময়নাগুড়িতে এক কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছিল। তার পর থেকে লাগাতার হুমকির মুখে পড়েছিল কিশোরী। তখন আত্মহত্যা করে ওই কিশোরী। এই ঘটনার পর শুভেন্দু ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান। বিরোধী দলনেতাকে একটি খাটে বসতে দেওয়া হয়। তখনই সেটি হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। নীচে পড়ে যান নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

সেদিন কী বলেথিলেন বিরোধী দলনেতা?‌ পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘‌আমাদের প্রতিবাদের পরে পুলিশ একটু নড়েচড়ে বসেছে। আমরা পরামর্শ দিয়েছি, আপনারা সিবিআই দাবি করুন। আমরা আইনি সহায়তা দেব। অপরাধীদের রাখতে গেলে সিবিআইকে দিয়ে তদন্ত করাতে হবে।’‌ তবে তার পর থেকে আর দেখা যায়নি।

আর তৃণমূল কংগ্রেস কী করল?‌ এদিন নতুন খাট কিনে দেওয়া হয় নির্যাতিতা পরিবাএরর হাতে। একইসঙ্গে নির্যাতিতার বাবাকে আর্থিক সাহায্য করা হয়। এমনকী নির্যাতিতার ভাইয়ের পড়াশোনার খরচ পর্যন্ত দেওয়ার আশ্বাস দেয় জেলা তৃণমূল কংগ্রেস। এই আশ্বাস পেয়ে নির্যাতিতার পরিবার আশ্বস্ত হন। অনেকটা দুশ্চিন্তা কেটেছে তাঁদের বলে খবর।

বন্ধ করুন