বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > জগদ্ধাত্রী পুজোয় জারি হয়েছে নো–এন্ট্রি, নিরাপত্তার চাদরে মুড়েছে গোটা চন্দননগর
জগদ্ধাত্রী পুজো
জগদ্ধাত্রী পুজো

জগদ্ধাত্রী পুজোয় জারি হয়েছে নো–এন্ট্রি, নিরাপত্তার চাদরে মুড়েছে গোটা চন্দননগর

  • চলতি বছরে চন্দননগরে ১৩২টি এবং ভদ্রেশ্বরে ৬৩টি জগদ্ধাত্রী পুজোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

দুর্গাপুজো–কালীপুজো–দীপাবলি সবই কোভিড–১৯ বিধি মেনে করা হয়েছে। এবার জগদ্ধাত্রী পুজোও এই বিধি মেনে করা হবে। একটা দিন কাটলেই পুজো শুরু হয়ে যাবে। হুগলি জেলার চন্দননগরে প্রায় পাঁচদিন ধরে চলে এই পুজো। সমস্ত প্রস্তুতি হয়ে গিয়েছে। রাস্তার মোড়ে আলোর তোরণ থেকে শুরু করে মণ্ডপসজ্জায় এখন শেষ তুলির টান চলছে। আর আজ, মঙ্গলবার থেকেই এখানে জারি হল নো–এন্ট্রি। অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার অর্ণব ঘোষ।

চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট সূত্রে খবর, চলতি বছরে চন্দননগরে ১৩২টি এবং ভদ্রেশ্বরে ৬৩টি জগদ্ধাত্রী পুজোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। চন্দননগর–ভদ্রেশ্বরে নো–এন্ট্রির পাশাপাশি কোভিড–১৯ বিধিনিষেধ জারি থাকবে। ৯ নভেম্বর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত চন্দননগর–ভদ্রেশ্বরে জিটি রোড নো–এন্ট্রি থাকবে। তবে দুপুরের দিকে খানিকটা শিথিল করা হতে পারে।

জানা গিয়েছে, বিশেষ পাস ছাড়া কোনও যানবাহন জিটি রোড দিয়ে চন্দননগরে প্রবেশ করা যাবে না। এই বিষয়ে পুলিশ কমিশনার অর্ণব ঘোষ বলেন, ‘পুজোর দিনগুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৮ জন, ডিসিপি পদমর্যাদার ১৩ জন এবং ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার ২৬ জন পুলিশ আধিকারিক থাকছেন চন্দননগর–ভদ্রেশ্বর জুড়ে। এছাড়া ১৫০ জন সাব ইন্সপেক্টর, ৪৫০ জন কনস্টেবল, ২৫০ জন মহিলা কনস্টেবল এবং ৬০০ জন অস্থায়ী হোমগার্ড নিরাপত্তায় থাকবেন।’

জলপথেও অতিরিক্ত নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। শুক্রবার সপ্তমী। জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু হয়ে যাবে। তবে নাইট কার্ফু উঠবে কিনা তা নিয়ে কিছু জানা যায়নি। এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারি কোনও নির্দেশ আসেনি বলেই খবর। দুর্গাপুজোয় বিধাননগরে বুর্জ খলিফা পুজোমণ্ডপ থেকে শিক্ষা নিয়েই এই বাড়তি ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে খবর।

বন্ধ করুন