বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ডায়েরিয়া নয়, ‘রেনাল ফেলিয়োর’-এর কারণে কামারহাটিতে মৃত্যু ২ জনের, দাবি রাজ্যের
ডায়েরিয়া নয়, ‘রেনাল ফেলিয়োর’-এর কারণে কামারহাটিতে মৃত্যু ২ জনের, দাবি রাজ্যের
ডায়েরিয়া নয়, ‘রেনাল ফেলিয়োর’-এর কারণে কামারহাটিতে মৃত্যু ২ জনের, দাবি রাজ্যের

ডায়েরিয়া নয়, ‘রেনাল ফেলিয়োর’-এর কারণে কামারহাটিতে মৃত্যু ২ জনের, দাবি রাজ্যের

  • তবে কামারহাটিতে যে ডায়েরিয়া প্রকোপ দেখা দিয়েছে, তা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে।

ডায়েরিয়া নয়, কিডনিজনিত সমস্যার কারণে কামারহাটিতে দু'জনের মৃত্যু হয়েছে। এমনই দাবি করল স্বাস্থ্য দফতর। তবে কামারহাটিতে যে ডায়েরিয়া প্রকোপ দেখা দিয়েছে, তা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। তারইমধ্যে ডায়েরিয়ায় আরও দু'জনের মৃৃত্যু হয়েছে বলে একটি অংশের তরফে দাবি করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে যে বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে, তাঁর উচ্চ রক্তচাপ ছিল। সমস্যা ছিল কিডনিরও। অপর এক মহিলারও কিডনির সমস্যায় মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে, কামারহাটিতে ডায়েরিয়া প্রকোপ বেড়েছে। 

সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে ডায়েরিয়ার উপসর্গ নিয়ে চার শিশু-সহ ৭৮ জন সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল। তাঁদের বমি, পেট খারাপের মতো ডায়েরিয়া উপসর্গ আছে। প্রায় ১১ জনকে ভরতি হাসপাতালে ভরতি রাখা হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বাকিদের।

সোমবার থেকেই কামারহাটি পুরসভার এক থেকে পাঁচ নম্বর নম্বর ওয়ার্ডের একাধিক বাসিন্দা ডায়েরিয়ার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভরতি হয়েছেন। দুই মহিলার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান কামারহাটি পুরসভার মুখ্য প্রশাসক গোপাল সাহা। যদিও পুর প্রশাসকের দাবি মানতে রাজি হননি কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। তিনি বলেন, 'ডায়েরিয়া হয়েছে বলে শোনা গিয়েছে। মৃত্যু হয়েছে বলে এখনও নিশ্চিত কোনও তথ্য আসেনি।' সঙ্গে তিনি যোগ করেন, ‘আমি শুনেছি আমাদের চেয়ারম্যান বলেছেন যে জল থেকে হয়েছে এটা। আমি আমার চেয়ারম্যানকে (পুর প্রশাসক) দোষ দেব না। কারণ ও তো বিশেষজ্ঞ নন। আবেগের বশে হয়ত বলে ফেলেছেন। এটা আমার খুব গর্ব যে চেয়ারম্যান নিজের ঘাড়ে নিজে দোষ চাপিয়েছেন যে নিজের জল থেকে এটা (ডায়েরিয়া) হয়েছে। এটা আমি এটা মানতে রাজি নই। আমার নাতিরও ডিহাইড্রেশন হয়েছে। আমার নাতিরও সমস্যা হচ্ছে। বমি হচ্ছে। সে একটা সেভেন স্টারের (রেস্তোরাঁ) মাটন বিরিয়ানি খেয়েছে। কোথা থেকে কী হয়েছে, সেটা না জানলে বলা তো খুব মুশকিল।’ তবে তিনি জানিয়েছেন, প্রয়োজনে প্রতিদিন এক লাখ মানুষকে খাবার দেওয়া হবে। টালা থেকে জল এনে ফুটিয়ে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মদন।

বন্ধ করুন