বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > যেতে হবে না নিজের জেলায়, রাজ্যের যে কোনও প্রান্ত থেকেই রেশন-আধার কার্ডের সংযোগ
যেতে হবে না নিজের জেলায়, রাজ্যের যে কোনও প্রান্ত থেকেই রেশন-আধার কার্ডের সংযোগ। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রাজ কে রাজ/হিন্দুস্তান টাইমস)
যেতে হবে না নিজের জেলায়, রাজ্যের যে কোনও প্রান্ত থেকেই রেশন-আধার কার্ডের সংযোগ। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রাজ কে রাজ/হিন্দুস্তান টাইমস)

যেতে হবে না নিজের জেলায়, রাজ্যের যে কোনও প্রান্ত থেকেই রেশন-আধার কার্ডের সংযোগ

  • রেশন কার্ড এবং আধার কার্ডের সংযোগ করবেন?

রেশন কার্ড এবং আধার কার্ডের সংযোগ করবেন? রাজ্যের যে কোনও প্রান্ত থেকেই এবার সেই কাজটা করতে পারবেন। নির্দেশিকা জারি করে একথা জানাল পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

নবান্ন সূত্রে খবর, আপাতত রাজ্যে ১০ কোটি ৩২ লাখ মানুষের কার্ড আছে। ১৬ লাখ উপভোক্তার রেশন কার্ড নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে আধার এবং রেশন কার্ডের সংযুক্তিকরণের কাজ সেরে ফেলেছেন প্রায় ৬.৫ লাখ মানুষ। এখনও যাঁরা রেশন এবং আধারের সংযোগ করে উঠতে পারেননি, তাঁরাও যাতে দ্রুত কাজটা সেরে ফেলেন, সেই চেষ্টা করছে রাজ্য। সেজন্য এবার রাজ্যের যে কোনও প্রান্ত থেকে রেশন কার্ড এবং আধার কার্ডের সংযোগের নিয়ম চালু করেছে নবান্ন। তার ফলে কেউ অন্য কোনও জেলায় থাকলেও তিনি সেই জেলায় রেশন কার্ড এবং আধার কার্ডের সংযোগ করিয়ে নিতে পারবেন। আসতে হবে না নিজের জেলায়।

ইতিমধ্যে খাদ্য ও সরবরাহ দফতরের তরফে জানানো হয়, আধার ও রেশন কার্ড সংযুক্তিকরণের উপায় আরও সহজ হচ্ছে। নির্দেশিকায় জানানো হয়, আধার কার্ড এবং ডিজিটাল রেশন কার্ড সংযুক্তিকরণের জন্য ইনস্পেক্টর রেশনিং অফিসারের কার্যালয়ে যেতে হবে। প্রথমে সেখানে ডিজিটাল রেশন কার্ড এবং আধার কার্ড খতিয়ে দেখবেন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা। নেওয়া হবে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর আধার কার্ড নম্বর এবং হাতের ছাপ। আধার কার্ড ও রেশন কার্ডের তথ্য খতিয়ে দেখা হবে।

এমনিতে গত ১ জুলাই থেকে বাড়ি-বাড়ি এসে আধার কার্ড এবং রেশন কার্ড সংযুক্তিকরণের কাজ শুরু হয়েছে। খাদ্য দফতরের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, বাড়ি-বাড়ি আসবেন সমীক্ষকরা। আঙুলের ছাপ দিয়ে রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড এবং মোবাইল নম্বর সংযুক্ত করা যাবে। এছাড়া আধার ও রেশন কার্ডের সংযুক্তিকরণের জন্য আবেদনকারীকে রেশন দোকানে যেতে হবে। নিয়ে যেতে হবে আধার কার্ড এবং রেশন কার্ড। আঙুলের ছাপ দিয়ে সংযুক্তিকরণ সম্পূর্ণ হবে।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় সরকারের 'এক দেশ, এক রেশন কার্ড' চালু করা নিয়ে বারবার সংঘাতে জড়িয়েছে রাজ্য সরকার। এনিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দাবি ছিল, রাজ্যের খাদ্য সুরক্ষা যোজনা প্রকল্পে অনেক বেশি মানুষকে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। আর সেই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। ফলে রাজ্য সরকারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে সেই প্রকল্প চালু করা সম্ভব হয়নি কেন্দ্রীয় সরকারের। পরে পরিযায়ী শ্রমিকদের কথা মাথায় রেখে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সমস্ত রাজ্যে 'এক দেশ, এক রেশন কার্ড' চালু করতে হবে। শেষপর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গে চালু হয় 'এক দেশ, এক রেশন কার্ড'। ২৯ জুন এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল নবান্ন।

বন্ধ করুন