বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > স্ত্রীর লাশ নিয়ে পাঁচদিন কাটালেন বৃদ্ধ, দুর্গন্ধের অভিযোগে পুলিশ উদ্ধার করল দেহ
বৃদ্ধার পচাগলা দেহ বিছানায় পড়ে আছে।
বৃদ্ধার পচাগলা দেহ বিছানায় পড়ে আছে।

স্ত্রীর লাশ নিয়ে পাঁচদিন কাটালেন বৃদ্ধ, দুর্গন্ধের অভিযোগে পুলিশ উদ্ধার করল দেহ

  • স্ত্রীর নৃত্যুর খবর কেন তিনি দিলেন না তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

রবিনসন স্ট্রিট কাণ্ডের ঘটনা অনেকেরই মনে আছে। এবার সেই ধাঁচের ঘটনা ঘটল বিধাননগরে। এখানের মালির বাগান সর্দার পাড়া এলাকায় চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। বৃদ্ধ তাঁর স্ত্রীর দেহ আগলে রাখলেন। আর তা নিয়েই জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, এই পাড়ায় প্রায় কুড়ি বছর ভাড়া থাকতেন অবসরপ্রাপ্ত কর্মী দুলাল দাস বর্মন এবং তাঁর স্ত্রী দীপ্তি। বয়সজনিত অসুখে দীপ্তি দাস বর্মন শয্যাশায়ী ছিলেন। সপ্তমীর দিন এই বাড়ির ভিতর থেকে দুর্গন্ধ পান অনেকে। তখন বাড়ির মালিক তাপস চৌধুরী ওই বৃদ্ধকে জিজ্ঞাসাও করেন। কিন্তু বৃদ্ধ জানান, স্ত্রীর শরীরে ফোসকা পড়ে গিয়েছে এবং তা থেকেই গন্ধ বেরোচ্ছে।

স্ত্রীর নৃত্যুর খবর কেন তিনি দিলেন না তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মহানবমীর সকালে দুর্গন্ধ তীব্র আকার ধারণ করে। এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা বাড়ির মালিককে বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নিতে বলেন। বাড়ির মালিক এবং পুলিশ গিয়ে বৃদ্ধ দুলাল দাস বর্মনকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তখনও জানান, তাঁর স্ত্রী বেঁচে রয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে খবর, কিন্তু বিয়য়টি পুরোপুরি অবিশ্বাস্য লাগলে জোর করে পুলিশ ঘরের ভেতরে ঢোকে। তখন তাঁরা দেখতে পান, বৃদ্ধার পচাগলা দেহ বিছানায় পড়ে আছে। তখনই তা ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অনুমান, পঞ্চমীর দিনই ওই বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। সেক্ষেত্রে মৃত স্ত্রীর দেহ নিয়ে পাঁচদিন কাটিয়েছেন বৃদ্ধ। বৃদ্ধ দম্পতির দুই ছেলে। বড় ছেলে বিপ্লব দাস বর্মন নয়াদিল্লিতে থাকেন। আর ছোট ছেলে বিশু দাস বর্মন গোয়ায় থাকেন। তাঁদেরকে পুলিশ খবর দিয়েছে।

বন্ধ করুন