বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > প্রতিবেশীকে বিশ্বাস করেছিলেন, দড়ি দিয়ে বেঁধে ‌'ধর্ষণ' মূক ও বধির কিশোরীকে
প্রতীকী ছবি (প্রতীকী ছবি)
প্রতীকী ছবি (প্রতীকী ছবি)

প্রতিবেশীকে বিশ্বাস করেছিলেন, দড়ি দিয়ে বেঁধে ‌'ধর্ষণ' মূক ও বধির কিশোরীকে

প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে রেলের ওই পাম্প হাউসের চাবি অরবিন্দের কাছে গেল। অনেকেই বলছেন, এই ঘটনার সঙ্গে আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারেন।

খাবারের লোভ দেখিয়ে মূক ও বধির এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে খড়্গপুর এলাকায়। গোটা ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, ঠাকুরদা ও ঠাকুরমার সঙ্গে থাকতেন ১৫ বছরের এই কিশোরী। কিশোরী যেখানে থাকতেন তার ঠিক উল্টোদিকের বাড়িতে যাতায়াত ছিল অভিযুক্ত যুবকের। গত শনিবার বিকেলে কিশোরীকে খাবারের লোভ দেখিয়ে মোটরসাইকেলে করে কিছুটা দূরে নিয়ে যায় অভিযুক্ত যুবক অরবিন্দ। অভিযোগ, কিশোরীর বাড়ি থেকে দেড়শো মিটার দূরে রেল স্টেশনের উল্টোদিকে কিশোরীকে লাগাতার ধর্ষণ করে ২৪ বছরের ওই যুবক। লাগাতার ধর্ষণ করার পর পাম্প হাউসের মধ্যে কিশোরীকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখে ওই যুবক। এরপর রাত ১২টা নাগাদ নিজেই কোনওমতে বাঁধন খুলে বাড়িতে যায়। বাড়ি ফিরে সকলকে নির্যাতনের কথা ইশারায় জানায় ওই কিশোরী। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ওই যুবককে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছেন পুলিশ। ইতিমধ্যে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

তবে ইতিমধ্যে গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু প্রশ্ন উঠে আসছে। প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে রেলের ওই পাম্প হাউসের চাবি অরবিন্দের কাছে গেল? অনেকেই বলছেন, এই ঘটনার সঙ্গে আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারেন। যেখানে এই ঘটনাটি ঘটেছে, সেই এলাকার বিদায়ী কাউন্সিলর প্রদীপ সরকার জানান, ‘‌রেলের পাম্পহাউসের চাবি তো রেল কর্মীদের কাছেই থাকার কথা। কীভাবে তা বহিরাগতদের কাছে গেল? যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।’‌


বন্ধ করুন