বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > শান্তিপুর উপনির্বাচন: 'চটি চাটা' প্রসঙ্গে শুভেন্দুকে এভাবেই পালটা বিঁধলেন পার্থ
নির্বাচনী প্রচারে পার্থ চট্টোপাধ্য়ায় ও মহুয়া মৈত্র

শান্তিপুর উপনির্বাচন: 'চটি চাটা' প্রসঙ্গে শুভেন্দুকে এভাবেই পালটা বিঁধলেন পার্থ

  • 'শান্তিপুরের উপনির্বাচনে তৃণমূল বিপুল ভোটে জয়ী হবে। শুভেন্দু ১০ বার এসেও কিছু হবে না। আমরা ২০০ শতাংশ আশাবাদী।'

নদিয়ার শান্তিপুর উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়েছিলেন রাজ্য়ের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যা। আর সেখানেই নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক তথা একসময়ের সহযোদ্ধা শুভেন্দু অধিকারীকে বিঁধলেন পার্থ। আসলে সাংবাদিকদের চটি চাটা বলে উল্লেখ করেছেন বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। এমনটাই অভিযোগ উঠেছে। এবার এনিয়ে পালটা কটাক্ষ করলেন রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমি নিন্দা করি। এদেরকে বর্জন করুন। যারা সাংবাদিকদের এধরনের মন্তব্য করেন। তার অহংবোধ এমন জায়গায় চলে গিয়েছে যে বাংলার মানুষ নিশ্চিহ্ন করবে। শান্তিপুরের উপনির্বাচনে তৃণমূল বিপুল ভোটে জয়ী হবে। শুভেন্দু ১০ বার এসেও কিছু হবে না। আমরা ২০০ শতাংশ আশাবাদী। আমাদের প্রার্থী জিতবে। এবারও বিজেপির মুখে জল ঢেলে দেবে শান্তিপুরের মানুষ। তাদেরকে যে অপমান তারা করেছেন তার প্রতিশোধ তারা ভোটের বাক্সের মধ্য়েই নেবেন। দূরবীন দিয়ে দেখতে হবে বিরোধীদের, জানিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। 

নদিয়ার শান্তিপুর উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়েছিলেন রাজ্য়ের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যা। আর সেখানেই নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক তথা একসময়ের সহযোদ্ধা শুভেন্দু অধিকারীকে বিঁধলেন পার্থ। আসলে সাংবাদিকদের চটি চাটা বলে উল্লেখ করেছেন বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। এমনটাই অভিযোগ উঠেছে। এবার এনিয়ে পালটা কটাক্ষ করলেন রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমি নিন্দা করি। এদেরকে বর্জন করুন। যারা সাংবাদিকদের এধরনের মন্তব্য করেন। তার অহংবোধ এমন জায়গায় চলে গিয়েছে যে বাংলার মানুষ নিশ্চিহ্ন করবে। শান্তিপুরের উপনির্বাচনে তৃণমূল বিপুল ভোটে জয়ী হবে। শুভেন্দু ১০ বার এসেও কিছু হবে না। আমরা ২০০ শতাংশ আশাবাদী। আমাদের প্রার্থী জিতবে। এবারও বিজেপির মুখে জল ঢেলে দেবে শান্তিপুরের মানুষ। তাদেরকে যে অপমান তারা করেছেন তার প্রতিশোধ তারা ভোটের বাক্সের মধ্য়েই নেবেন। দূরবীন দিয়ে দেখতে হবে বিরোধীদের, জানিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। 

|#+|

তিনি আরও বলেন, বাংলাকে অটুট রাখতে পারেন মমতা, মমতা আর মমতা। তৃণমূল কংগ্রেস বাংলার গরিমা, ঐতিহ্য়কে অটুট রাখে। পাশাপাশি তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র এদিন বলেন, যারা অন্যান্য শিবিরে থেকে বুড়ো আঙুল দিয়ে জল মাপছিল তাদের মুখেও ঝামা ঘষে দেওয়া হয়েছে। তারা এবার বুঝে গিয়েছে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়, তৃণমূল ছাড়া আর কেউ নেই। দেশ থেকে বিজেপিকে হঠাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া আর কেউ নেই।