বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > 'গায়ে ডোরাকাটা দাগ, হুবহু বাঘের মতো!' দক্ষিণ রায়ের আতঙ্ক জামবনিতে
অজানা জন্তুর পায়ের ছাপ জামবনিতে। প্রতীকী ছবি।

'গায়ে ডোরাকাটা দাগ, হুবহু বাঘের মতো!' দক্ষিণ রায়ের আতঙ্ক জামবনিতে

  • বেশ কয়েকজন এলাকাবাসী ওই বন্যপ্রাণীকে দেখেছেন বলেই দাবি করেছেন।

আবারও বাঘের আতঙ্ক পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনিতে। দুই সপ্তাহ ধরে শালবনির বিভিন্ন এলাকায় বাঘের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এবার বাঘের আতঙ্ক ছড়িয়েছে জামবনিতে। যদিও সেটি বাঘ কিনা এখনও নিশ্চিত ভাবে বলা সম্ভব হচ্ছে না। তবে গ্রামবাসীদের দাবি, তারা যে জন্তুকে এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখেছেন সেটি একেবারে বাঘের মত। তার গায়ে রয়েছে ডোরাকাটা দাগ। বেশ কয়েকজন এলাকাবাসী ওই বন্যপ্রাণীকে দেখেছেন বলেই দাবি করেছেন। সেইসঙ্গে বাঘের পায়ের ছাপ রয়েছে বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসীরা। এলাকায় এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পরে আতঙ্কে জড়োসড়ো হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা। ইতিমধ্যেই ঘটনায় খবর দেওয়া হয়েছে বনদফতরকে।

জামবনির বাসিন্দাদের কথায়, গত শুক্রবার একটি বড় বন্যপ্রাণীকে তারা জঙ্গলের ভেতরে প্রবেশ করতে দেখেন। প্রাণীটির উচ্চতা বেশ বড় ছিল এবং তার গায়ে বাঘের মতো ডোরাকাটা দাগ ছিল। যা দেখে সেটিকে হুবহু বাঘের মতোই মনে হয়েছে। এরপর থেকে জঙ্গলে গবাদি পশু নিয়ে যাওয়া বন্ধ করেছেন স্থানীয়রা। নিজেরাও বাঘের আতঙ্কে খুব বেশি বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন না।

অন্যদিকে, এই খবর পাওয়ার পরে নজরদারি শুরু করেছে মেদিনীপুরের বন বিভাগ। প্রাণীটির পায়ের ছাপ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মেদিনীপুরের ডিএফও। তিনি জানান, 'যে প্রাণীর পায়ের ছাপ পাওয়া গিয়েছে সেটি আদৌও বাঘ কি না তা আমরা খতিয়ে দেখছি।' প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই শালবনির জঙ্গলে একটি গবাদিপশুর অর্ধদেহ উদ্ধার হয়েছিল। গবাদি পশুটিকে বাঘে খেয়েছিল বলে দাবি করেছিলেন স্থানীয়রা। পরে বন্যপ্রাণীটির পায়ের ছাপ খতিয়ে দেখে সেটিকে নেকড়ে বাঘ বলে জানিয়েছিল বন বিভাগ। তাহলে জামবনিতে কি সেই নেকড়ে বাঘকেই ঘোরাফেরা করতে দেখেছেন স্থানীয়রা? তা খতিয়ে দেখছেন বনদফতরের আধিকারিকরা।

বন্ধ করুন