বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > মশার ধূপ, মাদুর নিয়ে আগের রাত থেকেই লাইন - তাও মিলছে না করোনা টিকা!
ভ্যাকসিনের লাইনে সাধারণ মানুষ (সৌজন্যে রয়টার্স)
ভ্যাকসিনের লাইনে সাধারণ মানুষ (সৌজন্যে রয়টার্স)

মশার ধূপ, মাদুর নিয়ে আগের রাত থেকেই লাইন - তাও মিলছে না করোনা টিকা!

জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, চাহিদার তুলনায় টিকার জোগান কম থাকায় নানা কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

রাজ্য সরকার করোনার টিকার জোগান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করছেন। কেন্দ্র টিকা জোগানের আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তা কার্যকর হচ্ছে না বলে দাবি রাজ্যের। ফলে উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ, সব জায়গাতেই সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও টিকার দেখা মেলেনি। রাত জেগে লাইনে দাঁড়িয়েও টিকা মিলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনই চিত্র ধরা পড়ল উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ, বসিরহাট, বারাসত মহকুমার বিভিন্ন জায়গায়।

জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, চাহিদার তুলনায় টিকার জোগান কম থাকায় নানা কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। সরকারের তরফে যেমন যেমন টিকা আসছে, তেমনিভাবেই টিকাদানের প্রক্রিয়া চলছে। বনগাঁ পুরসভা এলাকায় ৪টি জায়গা থেকে টিকা দেওয়া হয়। পুরসভা সূত্রে খবর, রোজ একটি কেন্দ্র থেকে ১০০ জন করে টিকা দেওয়া হয়। যদিও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ৫০ থেকে ৬০ জনের বেশি টিকা দেওয়া হচ্ছে না। যিনি আগে আসছেন, তাঁকেই আগে টিকা দেওয়া হচ্ছে। ফলে টিকা নিতে লাইন দেওয়ার জন্য আগের দিনের রাত থেকে মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন টিকাকেন্দ্রের সামনে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, মশা মারার ধূপ ও মাদুর নিয়ে আগের দিনের রাত থেকেই মানুষ টিকাকেন্দ্রের সামনে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন। কেউ কেউ আবার নিজে তো লাইন দিচ্ছেনই, সেই সঙ্গে তাঁর আত্মীয়ের জন্যও লাইন দিয়ে রাখছেন ইট পেতে।

বনগাঁর পুর প্রশাসক গোপাল শেঠ জানান, ভ্যাকসিন সরবরাহ যেমন হচ্ছে, তেমনিভাবে টিকা দেওয়া হচ্ছে। তবে কেন্দ্রগুলির সামনে যাতে খুব বেশি ভিড় না হয়, সেজন্য বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। পুলিশ তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কেউ আর কারোর জন্য ইট পেতে লাইন রাখতে পারবেন। যে ব্যক্তি টিকা দেবেন, তাঁকে এসে লাইন দিয়েই টিকা নিতে পারবে।

বন্ধ করুন