বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > সুযোগ পেলেই বর্ধমানে নিজের গ্রামে ছুটে যেতেন সুব্রত
সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের স্মরণে
সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের স্মরণে

সুযোগ পেলেই বর্ধমানে নিজের গ্রামে ছুটে যেতেন সুব্রত

  • রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানান, পৈতৃক ভিটেতেই তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে একটি মূর্তি উন্মোচন করা হবে। খুবই বড় মাপের মানুষ ছিলেন তিনি।

পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাট এলাকার ন’‌পাড়া গ্রাম। সেখানেই সদ্য প্রয়াত রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়ি। শিকড়ের টানে প্রায়শই গ্রামের বাড়িতে ছুটে যেতেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী। এখন তাঁদের সেই প্রিয় সুব্রতকে হারিয়ে শোকে মুহ্যমান গ্রামের বাসিন্দারা।

রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রীর মৃত্যুর খবর পৈতৃক ভিটের গ্রামে পৌঁছোতে খুব একটা বেশি সময় লাগেনি। খবরটা পাওয়ার পর থেকেই গোটা গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। শুক্রবার সকালে প্রয়াত মন্ত্রীকে স্মরণ করে তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। এই স্মরণসভায় সুব্রতবাবুর বন্ধু ও বন্ধুস্থানীয় অনেকেই হাজির ছিলেন। সুব্রতবাবুর সঙ্গে পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করে অনেকের চোখে চলে এল জল। গ্রামের বাসিন্দারাই আনিয়েছেন, গ্রামের ভিটেটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে গেলেও আসা যাওয়াটা কখনও বন্ধ হয়নি। সুব্রতবাবুর কাছের এক বন্ধু গ্রামেরই এক বাসিন্দা জানান, সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায় যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখনও যেমন আসত, এখনও সময় পেলেই মাঝেমধ্যে চলে আসত। নপাড়া প্রাইমারি স্কুলে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছি। কলকাতায় গেলেই জিজ্ঞাসা করত গ্রামের থেকে জোড়া মণ্ডা এনেছি কিনা।

 

এই অনুষ্ঠানে হাজির রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানান, পৈতৃক ভিটেতেই তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে একটি মূর্তি উন্মোচন করা হবে। খুবই বড় মাপের মানুষ ছিলেন তিনি। খেতেও যেমন ভালবাসতেন, তেমনি নানা ধরনের গল্প করতেও ভালবাসতেন। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ন’‌পাড়া গ্রামে থাকা নিজের জমিজমা সম্পত্তি সুব্রতদা এলাকার উন্নয়নে দিয়ে দেবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন। বর্ধমানের টাউন হলের মিটিংয়ে সুব্রতদার কথা মতো এই কথা তিনি জানিয়েও দিয়েছেন।

 

বন্ধ করুন