বাড়ি > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > 'ঝড়ে ওড়েনি', ভোটের কারণে মুকুলের বাড়ি থেকে সরেছিল মোদীর হোর্ডিং : স্বপন
রাজ্যসভার সাংসদের টুইটে আরও একটি জল্পনা তৈরি হয়েছে (ফাইল ছবি, সৌজন্য ফেসবুক)
রাজ্যসভার সাংসদের টুইটে আরও একটি জল্পনা তৈরি হয়েছে (ফাইল ছবি, সৌজন্য ফেসবুক)

'ঝড়ে ওড়েনি', ভোটের কারণে মুকুলের বাড়ি থেকে সরেছিল মোদীর হোর্ডিং : স্বপন

  • রাজনৈতিক মহলের পর্যবেক্ষণ, ‘ঝড়ে’ হোর্ডিং উড়ে যাওয়ার খবর ভুয়ো বললেও বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে মুকুলের ‘বাদানুবাদ’ নস্যাৎ করেননি স্বপন।

‘ঝড়ে উড়ে যায়নি’, বরং আদর্শ আচরণবিধির কারণে মুকুল রায়ের দিল্লির বাসভবন থেকে সরানো হয়েছিল নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহদের হোর্ডিং। এমনটাই দাবি করলেন রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত।

আরও পড়ুন : ফের বিধানসভা অধিবেশন শুরু করতে রাজ্যপালকে চিঠি গেহলটের, এড়ালেন আস্থা ভোটের কথা

এমনিতেই দিল্লিতে দলের বৈঠকের মাঝপথেই ‘চিকিৎসার জন্য’ মুকুল বাড়ি ফেরায় গত কয়েকদিন ধরে রাজনৈতিক মহলে কম জলঘোলা হয়নি। তারইমধ্যে বিজেপির হোর্ডির, মোদী-শাহের ছবি ‘ঝড় উড়ে যাওয়ার’ খবরে গুঞ্জন আরও বাড়ে। ‘ঝড়ের’ বিষয়ে অবশ্য মুখ খোলেননি মুকুল। তবে রবিবার টুইটারে স্বপন দাবি করেন, দিল্লির ১৮১ সাউথ অ্যাভিনিউয়ে মুকুলের বাসভবনে কোনও 'ঝড়' আসেনি।

আরও পড়ুন : কর্নাটক ও কেরালায় ‘উল্লেখজনক’ সংখ্যায় রয়েছে ISIS জঙ্গিরা : রাষ্ট্রসংঘ

তিনি বলেন, ‘এটা বিস্ময়কর যে মুকুল রায় নিজের দিল্লির বাসভবন থেকে মোদী-বিজেপির হোর্ডিং সরিয়ে নিয়েছেন বলে বিভিন্ন সংবাদ পোর্টালে ভুয়ো খবর প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু রূঢ় বাস্তব হল যে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী গত ফেব্রুয়ারিতে হোর্ডিংগুলি খুলে নেওয়া হয়েছিল।’

যদিও দিল্লি ভোট তো সেই ৯ ফেব্রুয়ারি হয়েছে। দু'দিন পর ফলও বেরিয়ে গিয়েছে। পাঁচ মাস পরও সেই হোর্ডিং ফেরত এল না, সেই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য মেলেনি। আর দেশজুড়ে লকডাউনও তো ২৫ মার্চ থেকে শুরু হয়েছিল। সেই সময়ের মধ্যে হোর্ডিং লাগানো হল কিনা, সেই অস্বস্তি অবশ্য চাপা পড়েনি। এমনকী ওই পাঁচ মাসে মুকুল দিল্লি সফরে যাননি, সেটাও নয়।

আরও পড়ুন : পাকিস্তানের চিনা ড্রোনের মোকাবিলায় সশস্ত্র ‘প্রিডেটর-বি’ ড্রোন পাচ্ছে বায়ুসেনা

একইসঙ্গে রাজ্যসভার সাংসদের টুইটে আরও একটি জল্পনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের পর্যবেক্ষণ, ‘ঝড়ে’ হোর্ডিং উড়ে যাওয়ার খবর ভুয়ো বললেও বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে মুকুলের ‘বাদানুবাদ’ নস্যাৎ করেননি স্বপন। যা যথেষ্ট ইঙ্গিতবহ বলে মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

আরও পড়ুন : স্বাধীনতা দিবসে ভারতকে করোনা মুক্ত করার সংকল্প নেওয়া হোক, দেশবাসীকে আর্জি মোদীর

যদিও মুকুল সামনে এখনও দাবি করছেন, তিনি বিজেপিতেই আছেন। যা রটছে, তা 'উদ্দেশ্যপ্রণোদিত'। তারইমধ্যে সূত্রের খবর, আগামী শুক্রবার মুকুলকে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে। তাঁকে জানানো হয়েছে, সেদিন মুকুলের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারেন অমিত শাহ। তার আগে অবশ্য শাহের কাছে মুকুলের ‘গুরুত্ব’ ব্যাখ্যা করেন মোদী ঘনিষ্ঠ বাংলার এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং এক বাঙালি রাজ্যসভার সাংসদ। তারপরই মুকুলকে দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে বলে বিজেপির অন্দরের খবর। যদিও বিষয়টি নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া হবে, তা নিয়ে জল্পনা চলছে।

বন্ধ করুন