বাড়ি > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > মেচেদায় ব্যাগবন্দি দেহ উদ্ধারের কিনারা করল পুলিশ, টাকা হাতাতেই খুন বলে অনুমান
প্রতীকি ছবি
প্রতীকি ছবি

মেচেদায় ব্যাগবন্দি দেহ উদ্ধারের কিনারা করল পুলিশ, টাকা হাতাতেই খুন বলে অনুমান

  • পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানিয়েছেন, সোমবার রাতে শেষ হাসানের সঙ্গে কথা হয়েছে তাদের। তার পর তাঁর ফোন বন্ধ হয়ে যায়।

মেচেদায় ট্রেনে স্যুটকেসের মধ্যে যুবকের দেহ উদ্ধারের ঘটনার কিনারা করল পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মৃতের নাম হাসান আলি। তিনি কলকাতার বউবাজার এলাকার বাসিন্দা। রাজু নামে দিঘার এক হোটেল দালাল তাঁকে খুন করে দেহ ব্যাগে ভরে ট্রেনে তুলে দেয়।

পুলিশ জানতে পেরেছে, দিঘায় দালালের মাধ্যমে একটি হোটেল কিনতে চাইছিলেন হাসান। ২১ লক্ষ টাকায় রফা হয় তাঁর সঙ্গে। তার ১৫ লক্ষ টাকা আগেই দিয়ে দিয়েছিলেন ওই ব্যবসায়ী। বাকি ৬ লক্ষ টাকা নিয়ে রবিবার পাঁকুড়ায় পৌঁছে দিতে যান। সোমবার সেখান থেকে যান রামনগর। সেখানে রাজু নামে এক দালালের সঙ্গে দেখা করেন তিনি।

পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানিয়েছেন, সোমবার রাতে শেষ হাসানের সঙ্গে কথা হয়েছে তাদের। তার পর তাঁর ফোন বন্ধ হয়ে যায়। এর পর বউবাজার থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে তাঁর পরিবার।

পুলিশের অনুমান, টাকা হাতাতেই হাসানকে খুন করেছে দালাল। মোট ৪ জন দালাল হোটেল লিজের প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন। তার মধ্যে রাজু নামে এক দালালের সঙ্গে সোমবার ছিলেন তিনি। সম্ভবত সে-ই পরিকল্পনামাফিক খুন করে দেহ ব্যাগে ভরে তুলে দিয়েছে ট্রেনের কামরায়।

ঘটনায় রাজু নামে ওই দালালের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পূর্ব মেদিনীপুর পুলিশ।

বুধবার রাতে শেষ মেচেদা লোকালের রেক কারশেডে গেলে কামরায় একটি পরিত্যক্ত ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন সাফাইকর্মীরা। ব্যাগ থেকে চুঁইয়ে পড়ছিল রক্ত। ব্যাগ খুললে দেখা যায় তার ভিতর ভাঁজ করে রাখা আছে এক যুবকের দেহ।



বন্ধ করুন