বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > হাসপাতালে টিকার কুপন বিক্রির অভিযোগ পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে
পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়ান টিকার লাইনে থাকা মানুষজন। মঙ্গলবার রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজে।
পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়ান টিকার লাইনে থাকা মানুষজন। মঙ্গলবার রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজে।

হাসপাতালে টিকার কুপন বিক্রির অভিযোগ পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে

  • রাজ্যের অন্যান্য হাসপাতালের মতো রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও করোনার টিকার অপেক্ষায় দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ লাইন। অনেকে ভোর থেকে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন।

ভ্যাকসিনের লাইনে কুপন বিক্রির অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। মঙ্গলবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন টিকা নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজন। তাঁদের অভিযোগ, ৩০০ টাকার বিনিময়ে টিকার লাইনে কুপন বিক্রি করছেন কয়েকজন পুলিশকর্মী। এর প্রতিবাদ করায় এক যুবককে বেধড়ক মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুুলিশ।

রাজ্যের অন্যান্য হাসপাতালের মতো রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও করোনার টিকার অপেক্ষায় দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ লাইন। অনেকে ভোর থেকে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। অভিযোগ, মঙ্গলবার লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনের পাশ দিয়ে এক যুবক টিকাকরণ কেন্দ্রে ঢুকতে গেলে তাঁকে বাধা দেন অন্যরা। জানা যায় তিনি একজন পুলিশকর্মীর ছেলে। তাঁকে টিকার কুপন দিয়েছেন মিন্টু মণ্ডল নামে এক পুলিশ আধিকারিক। সেই যুবককে নিয়ে মিন্টুবাবুর কাছে যান কয়েকজন। অভিযোগ, তখন যুবকের হাত থেকে কুপন নিয়ে চিবিয়ে খেয়ে ফেলেন ওই আধিকারিক। এতে উত্তেজনা আরো বাড়ে। টাকার বিনিময়ে কুপন বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন সাধারণ মানুষ।

টিকার লাইনে থাকা এক যুবক দুর্নীতির প্রতিবাদে মুখর হলে তাঁকে বন্ধ করে নিয়ে গিয়ে পুলিশকর্মীরা ব্যাপক মারধর করেন বলে অভিযোগ। যদিও পুলিশের তরফে যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। অভিযুক্ত পুলিশকর্মীর দাবি, সহকর্মীর ছেলেকে একটি কুপন তিনি দিয়েছেন বটে। কিন্তু কোনও টাকা তিনি নেননি। হাসপাতালে টিকাকরণের দায়িত্বে থাকা আধিকারিক সব্যসাচী মুখোপাধ্যায় বলেন, এখনো কোনও অভিযোগ পাইনি। পেলে খতিয়ে দেখব।

 

বন্ধ করুন