বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ইন্টারনেটে নিষিদ্ধ কোনও জিনিসে জড়িয়েছিলেন কোচবিহারের অধ্যাপক?
নিহত উৎপল বর্মন
নিহত উৎপল বর্মন

ইন্টারনেটে নিষিদ্ধ কোনও জিনিসে জড়িয়েছিলেন কোচবিহারের অধ্যাপক?

  • পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, সুইসাইড নোটে উৎপলবাবু লিখেছেন, ইন্টারনেটে আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন তিনি।

কোচবিহারে স্ত্রী, পুত্রকে হত্যা করে অধ্যাপকের আত্মহত্যার ঘটনায় আরও স্পষ্ট হচ্ছে মোবাইল ফোনের যোগ। নিহত উৎপল বর্মনের বন্ধুরা জানিয়েছেন, সম্ভবত ইন্টারনেটে কোনও নিষিদ্ধ জিনিসের সঙ্গে জড়িয়েছিলেন উৎপলবাবু। যার জেরে চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

বুধবার সকালে কোচবিহার শহরের ভাড়াবাড়ি থেকে উদ্ধার হয় উৎপল বর্মন (৩৬), স্ত্রী অঞ্জনা (৩২) ও শিশুসন্তানের দেহ। সঙ্গে উদ্ধার হয় ১২ পাতার একটি দীর্ঘ সুইসাইড নোট। পরিবারের সদস্যরা জানান, ইন্টারনেটে খেলায় টাকা লাগাতেন তিনি। বাড়ির মালিক যদিও জানিয়েছেন কোনওদিন কোনও অশান্তির আওয়াজ পাননি। এরই মধ্যে উৎপলবাবুর বন্ধুরা চাঞ্চল্যকর এক তথ্য দিয়েছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি উৎপলবাবুর কাছ থেকে অশ্লীল মেসেজ পেতেন তাঁরা। তাতেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি অবৈধ কোনও কিছুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছিলেন তিনি?

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, সুইসাইড নোটে উৎপলবাবু লিখেছেন, ইন্টারনেটে আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তবে ১২ পাতার সুইসাইড নোটে আর কী রয়েছে তা এখনো ধোঁয়াশা।

বুধবার সকালে দেহ উদ্ধারের সময় উৎপলবাবুর হাত ছিল মোবাইল ফোনের হ্যান্ডসফ্রি দিয়ে বাঁধা। স্ত্রী ও পুত্রকে মোবাইল ফোনের চার্জারের তার পেঁচিয়ে খুন করেছিলেন তিনি।

 

বন্ধ করুন