বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > হাসপাতাল থেকে উধাও রোগী, দু’দিন পর দেহ মিলল পানাভর্তি পুকুর থেকে, রহস্য ঘনীভূত
হাসপাতাল থেকে উধাও রোগী, দুদিন পর দেহ মিলল পানাভর্তি পুকুর থেকে। প্রতীকী ছবি।

হাসপাতাল থেকে উধাও রোগী, দু’দিন পর দেহ মিলল পানাভর্তি পুকুর থেকে, রহস্য ঘনীভূত

  • প্রাথমিকভাবে মৃতদেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া না গেলেও এই ঘটনায় হাসপাতালের বিরুদ্ধে মৃতদেহ পুকুরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে মৃত রোগীর পরিবার।

হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ হওয়া রোগীর দেহ উদ্ধার হল কচুরিপানা ভর্তি একটি পুকুর থেকে। এই ঘটনায় রহস্য দানা বেঁধেছে। মৃত রোগীর নাম গোপাল ঘোষ (৭০)। শুক্রবার আমতলা গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে তিনি নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন। রবিবার সকালে হাসপাতালের পাশে একটি পুকুর থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিকভাবে মৃতদেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া না গেলেও এই ঘটনায় হাসপাতালের বিরুদ্ধে মৃতদেহ পুকুরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে মৃত রোগীর পরিবার। তাদের বক্তব্য, ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু হয়েছিল। সেই প্রমাণ লোপাটের জন্য হাসপাতালের পক্ষ থেকে মৃতদেহ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে গত বৃহস্পতিবার রাতে গপালবাবুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু, পরের দিন সকাল থেকেই তিনি নিখোঁজ হয়ে যান। হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গা খোঁজাখুঁজি করার পরেও তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। এমনকি হাসপাতালের সিসিটিভি খতিয়ে দেখেও তার খোঁজ মেলেনি। এই ঘটনার পরেই বৃদ্ধের চিন্তিত পরিবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। যদিও হাসপাতালের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অনেক সময় রোগী এদিক-ওদিক চলে যায়। তাই তাদের পরিবারের লোকেদের সঙ্গে থাকতে বলা হয়। ওই রোগীর সঙ্গেও তাঁর পরিবারের লোকেরা ছিলেন তারপরও তিনি কিভাবে বাইরে গেলেন? কোথায় গেলেন? তা কিছুতেই জানা যাচ্ছিল না।

এরপর হাসপাতালের সুপারিশে কচুরিপানা ভর্তি পাশের ওই পুকুরে ডুবুরি নামিয়ে সন্ধান চালানো হয়। সেখান থেকে বৃদ্ধের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মৃতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা স্বাস্থ্য দফতর। এ নিয়ে তদন্ত করার পাশাপাশি নার্স এবং চিকিৎসকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।

বন্ধ করুন