বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > পুলিশের মুখ উজ্জ্বল করলেন গোপাল কর্মকার, হাসি ফোটালেন রেল কর্মীর সর্বস্ব ফিরিয়ে
সাব ইন্সপেক্টর গোপাল কর্মকার।
সাব ইন্সপেক্টর গোপাল কর্মকার।

পুলিশের মুখ উজ্জ্বল করলেন গোপাল কর্মকার, হাসি ফোটালেন রেল কর্মীর সর্বস্ব ফিরিয়ে

  • রেল কর্মীর সর্বস্ব ফিরিরে দিয়ে হাওড়া ট্রাফিক পুলিশের মুখ হয়ে উঠলেন সাব ইন্সপেক্টর গোপাল কর্মকার।

পুলিশ দিবসেই পুলিশ মন জয় করে নিয়েছে। কারণ খোয়া যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও টাকা ফেরত পেলেন এক ব্যক্তি। সেটাও পুলিশের সাহায্যেই। রাজ্য পুলিশ দিবসে এমন একটি ঘটনা পুলিশের প্রতি মানুষের ভরসা আরও বাড়িয়ে দিল। রেল কর্মীর সর্বস্ব ফিরিরে দিয়ে হাওড়া ট্রাফিক পুলিশের মুখ হয়ে উঠলেন সাব ইন্সপেক্টর গোপাল কর্মকার।

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ব্যাঁটরা সাব ট্রাফিক গার্ডের সামনে ডিউটি করছিলেন গোপাল কর্মকার। তখন তিনি একটি ব্যাগ কুড়িয়ে পান। সেই ব্যাগ খুলে তিনি দেখেন, ওই ব্যাগের মধ্যে রয়েছে কয়েকহাজার টাকা, পে–স্লিপ, আধার কার্ড এবং রেলের আইকার্ড। ব্যাগে অনেক খুঁজেও কোনও ফোন নম্বর পাননি গোপালবাবু। তাই তিনি যোগাযোগ করতে পারেননি। তারপর টিকিয়াপাড়া রেল কার্শেডের কর্মী কলকাতা পর্ণশ্রী এলাকার বাসিন্দা শিবশঙ্কর হালদারের ফোন নম্বর জোগাড় করে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়।

এই বিষয়ে শিবশঙ্করবাবু বলেন, ‘‌চ্যাটার্জী পাড়া থেকে বাস ধরতে গিয়ে ব্যাগটি পরে যায়। তারপর ভাড়া কাটতে গিয়ে বুঝতে পারি আমার ব্যাগটি খোয়া গিয়েছে। ব্যাগটিতে অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছিল। খোয়া গেলে অনেক সমস্যায় পড়তে হতো। মানসিক বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। সকাল থেকে দেখছিলাম পুলিশ দিবস উদযাপন হচ্ছিল। ভাবিনি এই পুলিশ দিবসেই পুলিশের থেকে ফোন পাব এবং খোয়া যাওয়া সামগ্রী ফেরত পাব।’‌

এরপরই হাওড়া সিটি পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের ডিসি ট্রাফিক অর্ণব বিশ্বাস এই মহৎ কাজের জন্য গোপাল কর্মকারকে পুরষ্কৃত করেন। গোপালবাবু আপ্লুত, কিন্তু আক্ষেপ করে জানান, পরের বছর এই পুলিশ দিবস আমাকে থাকতে হবে বাড়িতে। কারণ পরের বছর শুরুতেই আমার কর্মজীবন শেষ হবে। তাই জীবনের শেষ কর্মরত অবস্থায় এই পুলিশ দিবসটা জীবনের সেরা পাওনা।

বন্ধ করুন