বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > লক্ষ্মীপুজোর বিসর্জনকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হরিপাল, পুলিশ–জনতা সংঘর্ষে উত্তপ্ত
পুলিশ–জনতার সংঘর্ষের পর ছড়িয়ে রয়েছে ইটের টুকরো।

লক্ষ্মীপুজোর বিসর্জনকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হরিপাল, পুলিশ–জনতা সংঘর্ষে উত্তপ্ত

  • পুলিশ–জনতার বচসা সংঘর্ষে পরিণত হয়। তাতে বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করে পুলিশ।

আবার জনতার হাতে নিগৃহীত হলেন পুলিশকর্মীরা। এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে হুগলি জেলার হরিপাল গ্রামে। লক্ষ্মীপুজোর বিসর্জনে কোভিড–১৯ বিধি মানা হয়নি বলে পুলিশের অভিযোগ। এই নিয়ে দু’‌পক্ষের মধ্যে বচসা বাধে। পুলিশ–জনতার বচসা সংঘর্ষে পরিণত হয়। তাতে বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। তার জেরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে হুগলির হরিপালের মশাইমোড়। গোটা ঘটনায় ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঠিক কী ঘটেছিল?‌ স্থানীয় সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীপ্রতিমার বিসর্জন ছিল। তাই শোভাযাত্রা করে বেরোয় ক্লাবের সদস্যরা। সেখানে ডিজে বাজছিল। এভাবে শোভাযাত্রা নিয়ে যেতে বাধা দেয় জেলার পুলিশ। কারণ তাতে কোভিড–১৯ বিধিভঙ্গ হচ্ছে বলে পুলিশের দাবি। কিন্তু তা মানতে নারাজ ক্লাবের সদস্যরা। এই নিয়ে শুরু হয় বচসা। তখন পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে তারা। পাল্টা পুলিশও লাঠিচার্জ করলে এলাকা রণক্ষেত্রের আকার নেয়।

আবার জনতার হাতে নিগৃহীত হলেন পুলিশকর্মীরা। এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে হুগলি জেলার হরিপাল গ্রামে। লক্ষ্মীপুজোর বিসর্জনে কোভিড–১৯ বিধি মানা হয়নি বলে পুলিশের অভিযোগ। এই নিয়ে দু’‌পক্ষের মধ্যে বচসা বাধে। পুলিশ–জনতার বচসা সংঘর্ষে পরিণত হয়। তাতে বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। তার জেরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে হুগলির হরিপালের মশাইমোড়। গোটা ঘটনায় ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঠিক কী ঘটেছিল?‌ স্থানীয় সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীপ্রতিমার বিসর্জন ছিল। তাই শোভাযাত্রা করে বেরোয় ক্লাবের সদস্যরা। সেখানে ডিজে বাজছিল। এভাবে শোভাযাত্রা নিয়ে যেতে বাধা দেয় জেলার পুলিশ। কারণ তাতে কোভিড–১৯ বিধিভঙ্গ হচ্ছে বলে পুলিশের দাবি। কিন্তু তা মানতে নারাজ ক্লাবের সদস্যরা। এই নিয়ে শুরু হয় বচসা। তখন পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে তারা। পাল্টা পুলিশও লাঠিচার্জ করলে এলাকা রণক্ষেত্রের আকার নেয়।|#+|

জানা গিয়েছে, এরপর আরও লোকজন ডেকে আনেন ক্লাব সদস্যরা। তুমুল সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশকে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়। উর্দি ছিঁড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে পুলিশও। এই ঘটনায় মোট ১০ জন পুলিশকর্মী জখম হন। এখনও পর্যন্ত মোট ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে করোনাবিধি লঙ্ঘন এবং পুলিশের উপর হামলা–সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ এলাকায় চাপা উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এলাকা এখনও থমথমে। শুক্রবার সকালে খোলেনি দোকানপাট। বাড়ি থেকেও মানুষজন কম বেরিয়েছেন। তবে চায়ের দোকানে এই ঘটনা নিয়ে জোর চর্চা চলেছে। নতুন করে যাতে অশান্তি না ছড়ায় তাই এলাকায় মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী।