বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > আধার-মোবাইল লিঙ্কের জন্য কিনতে হবে গঙ্গাজল! অভিযোগ হুগলি পোস্ট অফিসের বিরুদ্ধে
ফাইল ছবি : হিন্দুস্তান টাইমস (AH Zaidi/HT Photo)

আধার-মোবাইল লিঙ্কের জন্য কিনতে হবে গঙ্গাজল! অভিযোগ হুগলি পোস্ট অফিসের বিরুদ্ধে

গ্রামবাসীদের একাংশের দাবি, এ বিষয়ে পোস্টমাস্টার অসীম চক্রবর্তীকে প্রশ্ন করলে এক যুবকের আধার কার্ড আটকে রাখেন তিনি।

আধার কার্ডের সঙ্গে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক করবেন। সেই উদ্দেশ্যেই ডাকঘরে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে নিয়ম শুনেই আকাশ থেকে পড়লেন। 'কার্ড-নম্বর লিঙ্ক হয়ে গেলেই এক বোতল গঙ্গাজল কিনতে হবে,' নিদান দেন এক ডাকঘর কর্মী। এমনটাই দাবি করলেন নির্মল পোদ্দার (নাম পরিবর্তিত)।

ঘটনাটি হুগলি জেলার পোলবা-দাদপুর ব্লকের গোস্বামী-মালিপাড়া গ্রামের। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, এমনিতেই কার্ড ও নম্বর লিঙ্কে ৫০ টাকা করে লাগছে। তার উপর আরও ৩০ টাকা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁদের। তার বদলে হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে এক বোতল গঙ্গাজল। 'গঙ্গাজল চাই না, বাড়িতে আছে,' বলা সত্ত্বেও জোর করে 'গছিয়ে' দেওয়া হচ্ছে গঙ্গাজলের সিল প্যাক বোতল। নেই কোনও রসিদও।

গ্রামবাসীদের একাংশ জানাচ্ছেন, এ বিষয়ে পোস্টমাস্টার অসীম চক্রবর্তীকে প্রশ্ন করলে, এক যুবকের আধার কার্ড আটকে রাখেন তিনি। এমন একটি কথা কাটাকাটির ভিডিয়োও ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে তার সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা।

যদিও পোস্টমাস্টার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর পাল্টা দাবি, 'ওই যুবক নিজেই আধার কার্ড রেখে দিয়ে গিয়েছেন। দফতর থেকে বিক্রির জন্য গঙ্গাজল পাঠানো হয়েছে। আমরা সকলকে ওই জল নিতে অনুরোধ করছি। কাউকে বাধ্য করা হচ্ছে না। তবে তার জন্য কোনও রসিদ দেওয়া হচ্ছে না।' চুঁচুড়ায় হুগলি জেলার মুখ্য ডাকঘরও জানিয়েছে, গঙ্গাজল বিক্রি হচ্ছে বটে। তবে, তা কেনা মোটেই বাধ্যতামূলক নয়।

গ্রামবাসীদের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে খবর। এরপরেই ডাকঘরে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা। এটিকে বিজেপি তথা কেন্দ্রীয় সরকারের চক্রান্ত বলে দাবি করেন তাঁরা।

বিজেপি-র যুব মোর্চার হুগলি জেলার সভাপতি সুরেশ সাউ পাল্টা বললেন, 'তৃণমূল যা করছে তাতে মনে হচ্ছে ডাকঘর থেকে মহুয়া মদও পাওয়া যাবে। এটা হরিদ্বারের গঙ্গাজল। কাউকে নিতে জোর করা হচ্ছে না। বাধ্য করা হচ্ছে না। ওরা মূর্খের দল।'

।'

বন্ধ করুন