বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > দাম না পেলে আত্মহত্যা করতে হবে, বলছেন উত্তর দিনাজপুরের আলু চাষিরা
দাম না পেয়ে পড়ে পচছে আলু।
দাম না পেয়ে পড়ে পচছে আলু।

দাম না পেলে আত্মহত্যা করতে হবে, বলছেন উত্তর দিনাজপুরের আলু চাষিরা

  • প্রতি বছর এই সময় ৪৫ – ৫০ শতাংশ হিমঘর খালি হয়ে যায়। কিন্তু এই বছর মাত্র ২৫ – ২৭ শতাংশ খালি হয়েছে।

একদিকে যখন কেন্দ্রের কৃষি বিলের বিরোধিতায় কৃষক আন্দোলনের উত্তাপ ফের ক্রমশ বাড়ছে নয়াদিল্লিতে তখন আলুর দাম না পেয়ে আত্মহত্যার কথা ভাবছেন উত্তর দিনাজপুরের কৃষকরা। গত বছর বাম্পার ফলন হয়েছিল জেলায়। তাতেই কাল ঘনিয়েছে হাজার হাজার চাষির কপালে। সরকারের কাছে আলুর ন্যায্য দাম দাবি করেছেন তাঁরা।

গত মরশুমে আলুর দাম পড়ে যাওয়ায় হিমঘরে আলু রেখেছিলেন চাষিরা। তার পর বেশ কয়েকমাস কাটলেও আলুর দাম তেমন বাড়েনি। চাষিদের দাবি, এই দামে আলু বেচলে চাষের খরচ উঠবে না। ওদিকে হিমঘরে আলু রেখে আটকে গেছে টাকা। মহাজনকে গুনতে হচ্ছে চড়া সুদ। আলুচাষিদের একাংশের কথায়, সরকার এখনই আলুর ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে না পারলে আত্মহত্যা করা ছাড়া উপায় থাকবে না।

একদিকে বাম্পার ফলন, অন্যদিকে লকডাউনের জেরে বন্ধ পণ্য পরিবহণ। তাই ভিনরাজ্যেও আলু রফতানি করতে পারছেন না চাষিরা। হিমঘর মালিকরা জানাচ্ছেন, প্রতি বছর এই সময় ৪৫ – ৫০ শতাংশ হিমঘর খালি হয়ে যায়। কিন্তু এই বছর মাত্র ২৫ – ২৭ শতাংশ খালি হয়েছে।

চাষিরা বলছেন, পাইকারি বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে ৮ টাকা কেজি দরে। এই দরে আলু বিক্রি করলে চাষের খরচ উঠবে না। আপাতত সরকারের মুখের দিকে তাকিয়ে তাঁরা।

 

বন্ধ করুন