বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > জবরদখল সরিয়ে প্রণববাবুর স্মৃতিবিজড়িত মাঠ বাঁচাল প্রশাসন, খুশি স্থানীয়রা
জবরদখল সরিয়ে প্রণববাবুর স্মৃতিবিজড়িত মাঠ বাঁচাল প্রশাসন, খুশি স্থানীয়রা। (ফাইল ছবি, সৌজন্য টুইটার @POI13)
জবরদখল সরিয়ে প্রণববাবুর স্মৃতিবিজড়িত মাঠ বাঁচাল প্রশাসন, খুশি স্থানীয়রা। (ফাইল ছবি, সৌজন্য টুইটার @POI13)

জবরদখল সরিয়ে প্রণববাবুর স্মৃতিবিজড়িত মাঠ বাঁচাল প্রশাসন, খুশি স্থানীয়রা

  • তিনি নেই। তবে রয়ে গিয়েছে তাঁর স্মৃতি বিজড়িত মাঠ।

তিনি নেই। তবে রয়ে গিয়েছে তাঁর স্মৃতি বিজড়িত মাঠ। সেই মাঠ জবরদখল করে নেওয়া হয়েছিল। অবশেষে প্রয়াত প্রণব মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহ্যবাহী মাঠ ঠিকাদারদের হাত থেকে দখলমুক্ত করল চাঁচল মহকুমা প্রশাসন। মালদহ জেলার চাঁচলে ওই মাঠটি স্থানীয় সিদ্ধেশ্বরী ইনস্টিটিউশনের। রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন স্কুলের একটি অনুষ্ঠানে এসেছিলেন প্রণববাবু।

চাঁচলের স্থানীয় প্রশাসন ওই মাঠ থেকে দখলদারি হঠাতে উদ্যোগী হন। চাঁচলের বিডিও সমীরণ ভট্টাচার্য এবং মহকুমাশাসক সঞ্জয় পাল মাঠ খালি করার নির্দেশ দেন ঠিকাদার সংস্থাকে। তখন ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আশরারুল হকও তাঁদের সঙ্গে ছিলেন। তাঁদের চেষ্টায় মাঠটি বেদখল হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ায় খুশি স্থানীয় খেলোয়াড় এবং প্রাতঃভ্রমণকারীরা।

অভিযোগ, ওই মাঠ কিছুদিন আগে প্রায় দখল করে নিয়েছিলেন স্থানীয় ঠিকাদাররা। অন্য অংশের দখল নিয়ে তৈরি হয়েছে অটো–টোটো স্ট্যান্ড। স্কুল বারবার প্রশাসনকে জানিয়েও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ। এই নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছিল। অবশেষে নড়েচড়ে বসে চাঁচল মহাকুমা প্রশাসন।

উল্লেখ্য, চাঁচলের রাজা শরৎচন্দ্র রায়বাহাদুর এলাকায় শিক্ষার প্রসারের জন্য ১৮৮৮ সালের ১৬ আগস্ট গড়ে তোলেন এই স্কুল। মা সিদ্ধেশ্বরী দেবীর নামে স্কুলের নাম রাখেন। বর্তমানে স্কুলটি উচ্চমাধ্যমিক স্তরে উন্নীত হয়েছে। ২০১৪ সালের ১০ জানুয়ারি এই স্কুলের এক অনুষ্ঠানে এসেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়।

বন্ধ করুন