বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Anandapur Commerce College: আনন্দপুর কমার্স কলেজে ‘বার ডান্সার’ মন্তব্য বিতর্কে আদালতে যাচ্ছেন অধ্যক্ষ
আনন্দপুর কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ ড. সিদ্ধার্থ সরকার।

Anandapur Commerce College: আনন্দপুর কমার্স কলেজে ‘বার ডান্সার’ মন্তব্য বিতর্কে আদালতে যাচ্ছেন অধ্যক্ষ

  • গতকাল সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলি পুরোপুরি ভিত্তিহীন। প্রমাণ ছাড়া আমি কোনও অভিযোগে বিশ্বাস করি না। এটা তো আইনগত ব্যাপার। তাই আইনই শেষ কথা বলবে। আমি আইনের পথে যাচ্ছি। সেই আইনই উত্তর দেবে কে ঠিক কে ভুল।’

সম্প্রতি বিতর্কে জড়িয়েছেন জলপাইগুড়ির আনন্দপুর কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ ড. সিদ্ধার্থ সরকার। কলেজের মহিলা অধ্যাপকদের নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। মহিলা অধ্যাপকদের উদ্দেশ্যে তিনি নাকি বলেছিলেন, ‘আমি চাকরি না দিলে তোমাদের বার ডান্সার হতে হতো।’ এরপরে অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে সরব হন কলেজের অধ্যাপকরা। এবার এনিয়ে আইনি পথে লড়াই করার হুঁশিয়ারি দিলেন অধ্যক্ষ।

গতকাল সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলি পুরোপুরি ভিত্তিহীন। প্রমাণ ছাড়া আমি কোনও অভিযোগে বিশ্বাস করিনা। এটা তো আইনগত ব্যাপার। তাই আইনই শেষ কথা বলবে। আমি আইনের পথে যাচ্ছি। সেই আইনই উত্তর দেবে কে ঠিক কে ভুল। আমাকে মানসিকভাবে হয়রানি করা হয়েছে। কাজের জায়গায় মানসিক হয়রানি হলে ঠিকমতো কাজ করা যায় না। তাই আমাকে আইনের দ্বারস্থ হতে হবে।’

উল্লেখ্য, কুরুচিকর মন্তব্যের পাশাপশি অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সরব হয়েছেন কলেজের অধ্যাপকরা। তাদের আরও অভিযোগ, মহিলা অধ্যাপকদের ঘরে নজরদারি রাখার জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়েছেন অধ্যক্ষ ড. সিদ্ধার্থ সরকার। শুধু তাই নয়, কলেজের অধ্যাপকদের কোনও সংগঠন করতে দেননি অধ্যক্ষ। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘কলেজে কোনও রকমের সংগঠন করা যাবে না। আমি কোনও সংগঠন মানি না।' এমনকি একজন দৃষ্টিহীন অধ্যাপককে বাইকে করে রাস্তায় ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়ারও হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ তোলেন অধ্যাপকরা। এই অবস্থায় অধ্যক্ষ পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আরও জোরদার আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে হুঁশয়ারি দিয়েছিলেন তাঁরা। যদিও এই সমস্ত অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন কলেজের অধ্যক্ষ। এদিনও তিনি বলেন, ‘আমি অনুশাসন মেনে কলেজ পরিচালনা করছি। তাই আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়েছে। আমি পুলিশ সুপারসহ অন্যান্য আধিকারিকদের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।’

বন্ধ করুন