বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > প্রিয়দা নেই, সেদিনের পুজোর স্মৃতি আঁকড়ে কালিয়াগঞ্জের দাসমুন্সি বাড়ি

প্রিয়দা নেই, সেদিনের পুজোর স্মৃতি আঁকড়ে কালিয়াগঞ্জের দাসমুন্সি বাড়ি

প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সি, ফাইল ছবি, সংগৃহীত।

পুজোর সেই আনন্দ আজ অতীত। ২০০৮ সালেই আচমকা এই বাড়িতেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন প্রিয়রঞ্জন। ২০১৭ সালে চিরবিদায়। এখনও পুজো এলে অনেকেরই মনে পড়ে প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সির কথা।

উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ। প্রয়াত কংগ্রেস নেতা প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সির আদি বাড়ি। এখনও কালিয়াগঞ্জের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে প্রিয়দার নাম। আর প্রতিবছর দুর্গাপুজোর সময় এই গ্রামের বাড়িতেই কার্যত চাঁদের হাট বসত। মহালয়া থেকেই শুরু হয়ে যেত পুজোবাড়ির ব্যস্ততা। আর এবছর মহালয়ার দিনেও একেবারে খাঁ খাঁ করছে সেই বাড়ি। গ্রামের মানুষের অত্যন্ত কাছের সেই প্রিয়দা আজ আর নেই। পুজোর বেদি আছে আগের মতোই। কিন্তু সেই বেদিতে আজ আর ঘটা করে দুর্গাপুজো হয় না। ২০২০ সালের কোভিডের পর থেকে ঘট পুজোটাও কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছে। গোটা বাংলা যখন উৎসবের আনন্দে ভাসছে তখনও কালিয়াগঞ্জের প্রিয়দার আদি বাড়িতে যেন বিজয়া দশমীর মন খারাপের সুর। আসলে সেই মানুষটাই যে আর নেই।

এখনও পাড়ার অনেকের মনে পড়ে পুজোর দিনগুলোতে প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সির ব্যস্ততার কথা। রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝেও তিনি চলে আসতেন গ্রামের বাড়িতে। তখন আর তিনি মন্ত্রী নন। সকলের প্রিয় প্রিয়দা। একেবারে হই হই করে কাটত পুজোর কয়েকটা দিন। কংগ্রেসের তাবড় নেতা, মন্ত্রীরা আসতেন বাড়িতে। সম্প্রীতির নজিত তৈরি হত প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সির বাড়ির পুজোকে ঘিরে। অষ্টমী ও নবমীতে নিজে হাতে বস্ত্র বিতরণ করতেন তিনি। সকলের পাত পেরে খাওয়ার ব্যবস্থা হত বাড়িতে। বাড়ির পুজোয় ধুনুচি নাচে অংশ নিতে প্রিয়রঞ্জন ও দীপা দাসমুন্সি।

পুজোর সেই আনন্দ আজ অতীত। ২০০৮ সালেই আচমকা এই বাড়িতেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন প্রিয়রঞ্জন। ২০১৭ সালে চিরবিদায়। এখনও পুজো এলে অনেকেরই মনে পড়ে প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সির কথা। আলোয় ঝলমল করা সেই বাড়িই এখন প্রিয়রঞ্জনের স্মৃতি আঁকড়ে বসে রয়েছে।

বন্ধ করুন