বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > CBI Custody: একাধিক ডাম্পার, পেট্রোল পাম্প রয়েছে সয়গলের, রয়েছে ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি
সায়গল হোসেন।

CBI Custody: একাধিক ডাম্পার, পেট্রোল পাম্প রয়েছে সয়গলের, রয়েছে ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি

  • তাছাড়া তিনি রাজ্য সরকারের একজন কর্মী। তাকে নিয়ম মেনে গ্রেফতার করেনি সিবিআই। যদিও সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, তদন্তের স্বার্থে গ্রেফতারের জন্য সিবিআইয়ের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হয় না। সায়গলের আইনজীবী প্রশ্ন তুলেছিলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে তার মক্কেলকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই।

তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের ধৃত দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের সম্পত্তির পরিমাণ দেখে বিস্মিত সকলে। আগে জানা গিয়েছিল যে তার নিউটাউন, বোলপুরে ফ্ল্যাট বাড়ি এবং জমি রয়েছে। কিন্তু, তার বাইরেও অনেক সম্পত্তি রয়েছে সায়গলের। সিবিআর তার সম্পত্তি সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করে জানতে পেরেছে, সায়গলের প্রায় ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। সিবিআই আধিকারিকদের অনুমান, সায়গলের সম্পত্তি তারও বেশি হতে পারে। একজন পুলিশ কনস্টেবলের এত পরিমাণ সম্পত্তি থাকায় তা আয় বহির্ভূত বলেই মনে করছেন সিবিআই আধিকারিকরা।

সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, সায়গলের সেভাবে পৈত্রিক সম্পত্তি ছিল না। পুলিশ কনস্টেবলে চাকরি পাওয়ার পর অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী হয়েছিলেন সায়গল। তারপর থেকেই তার সম্পত্তি ব্যাপকভাবে বেড়েছে। স্কুল-শিক্ষকের চাকরি পেয়েছেন তার স্ত্রী। শুধুমাত্র নিউটাউনে তিনটি ফ্ল্যাটই নয়, বোলপুর-সহ একাধিক জায়গায় তার বাড়ি রয়েছে। গতকাল আসানসোল সিবিআই আদালতে তোলা হয় সায়গলকে। সিবিআই তার সম্পত্তির পরিমাণ নিয়ে আদালতে সিজার লিস্ট জমা দেয়। তাতে জানানো হয়, এই সমস্ত ফ্ল্যাটের পাশাপাশি একাধিক ডাম্পার, পাথর ভাঙার মেশিন, পেট্রোল পাম্প এবং ডাকসাইটে ২০০ বিঘা জমি রয়েছে সায়গলের। এই সমস্ত সম্পত্তির পরিমাণ হল ১০০ কোটি টাকা। তদন্তকারীদের অনুমান, এর বাইরে সাইকেলের সম্পত্তি থাকতে পারে। এখন প্রশ্ন উঠছে, একজন নেতার নিরাপত্তারক্ষীর যদি এত সম্পত্তি থাকতে পারে তাহলে প্রভাবশালীদের কত পরিমাণ সম্পত্তি থাকবে!

আদালতে সায়গলের আইনজীবী অনির্বাণ গুহঠাকুরতা তার জামিনের আবেদন জানান। আদালতকে তিনি জানান, তার মক্কেলের ঠিকমতো স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে না। তাছাড়া তিনি রাজ্য সরকারের একজন কর্মী। তাকে নিয়ম মেনে গ্রেফতার করেনি সিবিআই। যদিও সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, তদন্তের স্বার্থে গ্রেফতারের জন্য সিবিআইয়ের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হয় না। সায়গলের আইনজীবী প্রশ্ন তুলেছিলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে তার মক্কেলকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। তার ভিত্তিতে সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসারকে শোকজ করেছিলেন বিচারক। সে ক্ষেত্রে সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে যে কারণ দর্শানো হয়েছে তাতে সন্তুষ্ট বিচারক। সায়গলকে আরও ৭ দিন সিবিআই হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

বন্ধ করুন