বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > রেলের জমি থেকে বসতি উচ্ছেদের নোটিশ, ঝাঁটাপেটা করার নিদান তৃণমূল বিধায়কের
ব্যান্ডেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় কয়েকশো পরিবার দীর্ঘদিন রেলের জমিতে বসবাস করছেন। (প্রতীকী ছবি)
ব্যান্ডেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় কয়েকশো পরিবার দীর্ঘদিন রেলের জমিতে বসবাস করছেন। (প্রতীকী ছবি)

রেলের জমি থেকে বসতি উচ্ছেদের নোটিশ, ঝাঁটাপেটা করার নিদান তৃণমূল বিধায়কের

  • রেলের জমিতে অবৈধ বসতি উচ্ছেদে নোটিশের জবাবে বসবাসকারীদের স্থানীয় বিধায়কের পরামর্শ, কেউ কাগজপত্র চাইতে এলে যেন ঝাঁটা মেরে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।

‘‌মার ঝাড়ু মার, ঝাড়ু মেরে ঝেঁটিয়ে বিদেয় কর’। এই গানের লাইনটি কার্যত শোনা গেল তৃণমূল বিধায়কের গলায়। আর তা নিয়েই এখন জলঘোলা হতে শুরু করেছে। কারণ ‌উচ্ছেদের নোটিস দিয়েছে রেল। 

ব্যান্ডেল এলাকায় রেলের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তৃণমূল। তাদের বক্তব্য, পুনর্বাসন না দিয়ে উচ্ছেদ করা চলবে না। তারপরেই রেলের জমিতে বসবাসকারীদের স্থানীয় বিধায়ক অসিত মজুমদার নিদান দিলেন, কেউ যদি কাগজপত্র চাইতে আসে তাঁরা যেন ঝাঁটা মেরে তাড়িয়ে দিন। অর্থাৎ রেলের আধিকারিকদের সরাসরি ঝাড়ু মেরে বিদেয় করতে অভয় দিলেন তিনি।

জানা গিয়েছে, ব্যান্ডেল স্টেশন সংলগ্ন ক্যান্টিন–বাজার, পিরতলা, সাহেববাগান, সাহেবপাড়ায় কয়েকশো পরিবার দীর্ঘদিন রেলের জমিতে বসবাস করছেন। এমনকী অনেকের দোকানও রয়েছে। এই বসতি উচ্ছেদের নোটিস দিয়েছে রেল। তার জেরে কপালে ভাঁজ পড়েছে বাসিন্দাদের। তাঁদের প্রশ্ন, তুলে দেওয়া হলে তাঁরা কোথায় যাবেন?

এই ঘটনা কানে যেতেই ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ব্যান্ডেল পঞ্চায়েতের প্রধান নিতু সিং–সহ স্থানীয় তৃণমূল নেতারা। রেলের জমিতে বসবাসকারী পরিবারের মহিলাদের বিধায়ক বলেন, ‘‌কেউ তাঁদের তুলে দিতে পারবে না। তাঁরা যেন কাউকে কাগজপত্র না দেখান। কেউ বাড়িতে এলে যেন ঝাঁটা মেরে তাড়িয়ে দেন।’‌

আর সংবাদমাধ্যমকে বিধায়ক বলেন, ‘রেলের জায়গায় স্বাধীনতার পর থেকে বসতি গড়ে উঠেছে। রেল এইসব গরিব মানুষের পেটে লাথি মারতে চাইছে। এতেই রেলমন্ত্রক তথা বিজেপি সরকারের আনন্দ। আগামী ১০ তারিখের মধ্যে জায়গা খালি করতে বলেছে। মগের মুলুক নাকি? বিকল্প ব্যবস্থা না করে কাউকে সরানো যাবে না।’

বন্ধ করুন