বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ২০০৯-এ মমতার হাতে শুরু প্রকল্পের কাজ, ২০২৩-এ শেষ পর্যন্ত সিকিমে পৌঁছবে রেল
দার্জিলিং টয় ট্রেন (প্রতীকী ছবি: এএনআই)
দার্জিলিং টয় ট্রেন (প্রতীকী ছবি: এএনআই)

২০০৯-এ মমতার হাতে শুরু প্রকল্পের কাজ, ২০২৩-এ শেষ পর্যন্ত সিকিমে পৌঁছবে রেল

  • প্রকল্পের মধ্যে মোট ১৪টি টানেল, ১৭টি সেতু এবং পাঁচটি স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে কালিম্পং জেলার তিস্তায় একটি ভূগর্ভস্থ টানেলও রয়েছে।

২০২৩ সালের মধ্যে সিকিম ভারতের বাকি অংশের সাথে রেলপথে যুক্ত হবে বলে জানা গিয়েছে। সিকিমের সঙ্গে রেল সংযোগ স্থাপনের নেপথ্যে রয়েছে ৪৪.৯৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সেবকে-রাংপো রেললাইন। আগামী দুই বছরের মধ্যেই এই রেললাইন চালু হতে চলেছে বলে জানান একজন রেল কর্তা।

নর্থ-ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার অনশুল গুপ্তা এই বিষয়ে বলেন, 'সেবকে-রংপো রেল লাইন ২০২৩ সাল থেকে চালু হবে। শক্ত ভূখণ্ড, বহু সমস্যা এবং প্রতিকূলতা সত্ত্বেও প্রকল্পটি ২০২৩ সালে শেষ হবে।' উল্লেখ্য, তত্কালীন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০০৯ সালে এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন এবং প্রকল্পটি ২০১৫ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল।

রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানান যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং রেলওয়ে বোর্ড ডিসেম্বর ২০২৩-এর মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষের লক্ষ্য স্থির করেছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নকারী ভারতীয় রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন কোম্পানির একজন কর্মকর্তা বলেছেন যে প্রকল্পের ৩০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

যে রেললাইনটি পশ্চিমবঙ্গ এবং সিকিমকে যুক্ত করবে, তার নির্মাণে ১,৩৩৯.৪৮ কোটি টাকা ব্যয় করার কথা ছিল। কিন্তু নির্মাণে বিলম্বের কারণে, খরচ বেড়ে এখনও পাঁচ হাজার কোটিরও বেশি। রেললাইনের ৪১.৫৪ কিলোমিটার পথ পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় পড়ে। রেললাইনের প্রায় ৩.৪৪ কিলোমিটারের অবশিষ্ট অংশ সিকিমের মধ্য দিয়ে যাবে। প্রকল্পের মধ্যে মোট ১৪টি টানেল, ১৭টি সেতু এবং পাঁচটি স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে কালিম্পং জেলার তিস্তায় একটি ভূগর্ভস্থ টানেলও রয়েছে। কমপক্ষে ৮৬ শতাংশ রেলপথ ১৪টি টানেলের মধ্য দিয়ে যাবে যার মধ্যে ১৩টি টানেলই পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে।

বন্ধ করুন