বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > 'টাকা খেয়ে দলকে হারিয়েছে জেলা সভাপতি!' কাটোয়ায় বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ভাঙচুর
কাটোয়ার দাইহাটে  বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ভাঙচুর দলীয় কার্যালয়ে (নিজস্ব চিত্র)
কাটোয়ার দাইহাটে  বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ভাঙচুর দলীয় কার্যালয়ে (নিজস্ব চিত্র)

'টাকা খেয়ে দলকে হারিয়েছে জেলা সভাপতি!' কাটোয়ায় বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ভাঙচুর

  • বিজেপির রাজ্য সভাপতি আসার আগেই শুরু হয় বচসা, ভাঙচুর

কাটোয়ায় তুমুল গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বিজেপির অন্দরে। আর সেই দ্বন্দ্বের জেরে তছনছ করে দেওয়া হল দাঁইহাটে দলের জেলা কার্যালয়। এদিন জেলা কার্যালয়ে দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সাংগঠনিক সভা ছিল। সেই সভা শুরু হওয়ার আগেই শুরু হয় তাণ্ডব। স্থানীয় সূত্রে খবর, তাঁদের আসার ঠিক আগেই দলের জেলা কার্যালয়ে একেবারে তুমুল গণ্ডগোল শুরু হয়ে যায়। আসবাবপত্র,চেয়ার, টেবিলে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। বিজেপির নেতা কর্মীদেরকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তাদের দাবি, দলের জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ তৃণমূলের সঙ্গে তলায় তলায় টাকার বিনিময়ে বোঝাপড়া করে নিয়েছিলেন। যার জেরে দল হেরেছে কাটোয়ায়। এদিকে গোটা ঘটনায় যথেষ্ট অস্বস্তিতে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব। দাইহাটের কার্যালয়ে পরে নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেন দলের রাজ্য নেতৃত্ব। 

 

দিলীপ ঘোষকে পাশে বসিয়ে  বিজেপির রাজ্য় সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, বিজেপির কোনও কর্মী ভাঙচুর করতে পারে না। আমার বিশ্বাস তারা বিজেপির কর্মী নন। যদি থেকেও থাকেন তবে তারা ভবিষ্যতে থাকবে না।আমার মনে হয় এর পেছনে তৃণমূলের ইন্ধন রয়েছে। যদি দেখা যায় তারা বিজেপির কর্মী বা নেতৃত্বের মধ্য়ে রয়েছেন তবে পার্টি তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবে। তবে বিজেপি কর্মী হলে এই কাজ করা উচিৎ ছিল না। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় সহ অন্যান্য নেতৃত্বের ছবি যারা নষ্ট করতে পারেন তারা বিজেপির কর্মী নন। কোথাও কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই।যারা এসেছিলেন তারা কেউ বিজেপি করেন না, একসময় তারা হয়তো বিজেপি করতেন। 

 

বন্ধ করুন