বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > কেল্লার কাছেই হালুম ! নদীর ধারে পায়ের ছাপ, বাঘের আতঙ্কে ঘরবন্দি কুলতলি
বাঘের আতঙ্কে ভুগছে কুলতলি (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

কেল্লার কাছেই হালুম ! নদীর ধারে পায়ের ছাপ, বাঘের আতঙ্কে ঘরবন্দি কুলতলি

  • বাসিন্দাদের একাংশের দাবি ১৯৮৮ সালে কেল্লার কাছাকাছি জায়গায় বাঘের আনাগোনা টের পাওয়া গিয়েছিল।

একেবারে তন্ন তন্ন করে বাঘ খুঁজছেন বনদফতরের কর্মী, আধিকারিকরা। বাঘ ধরতে খাঁচাও পাতা হয়েছে। তাতে টোপও দেওয়া হয়েছে। আলোরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু কোথায় যে বাঘটা লুকিয়েছে তা কিছুতেই বুঝতে পারছেন না বনকর্মীরা। তবে এসবের মধ্য়েই কুলতলিতে পিয়ালি নদীর ধারে ডোঙ্গাঝোড়ার জঙ্গলে দেখা মিলেছে বাঘের পায়ের ছাপের। পুরানো কেল্লার দিকে যখন এগিয়ে যাচ্ছিলেন বনকর্মীরা তখন শোনা যায় বাঘের গর্জন। খবর স্থানীয় সূত্রে। এদিকে বাসিন্দাদের একাংশের দাবি ১৯৮৮ সালে কেল্লার কাছাকাছি জায়গায় বাঘের আনাগোনা টের পাওয়া গিয়েছিল। ফের সেই ভয়াবহ স্মৃতি ফিরে আসছে। নদী সংলগ্ন এলাকা জাল দিয়ে ঘিরে ফেলা হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় বাসিন্দাদের সতর্কও করছে বনদফতর। 

কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে বাঘটা গেল কোথায়? শুক্রবার গরানকাঠি গ্রাম সংলগ্ন জঙ্গলের পাশের নদীতে মাছ কাঁকড়া ধরতে গিয়েছিলেন চম্পা নস্কর নামে এক মহিলা। তিনি দেখেন বসে রয়েছে দক্ষিণ রায়। এরপরই বাবাগো মা গো বলে তিনি এলাকা থেকে ছুট দেন। এদিকে বনকর্মীরাও কাছেপিঠে ছিলেন। তাঁরাও এলাকায় ছুটে আসেন। নদীর ধারে বাঘের পায়ের ছাপও দেখা গিয়েছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে নদীতে বোট নামিয়ে পাড়গুলি জাল দিয়ে ঘেরার কাজ চলছে পুরোদমে। কোথায় যে ঘাপটি মেরে বসে রয়েছে বাঘটা তা আঁচ করার চেষ্টা করছেন বনরক্ষীরা। বাসিন্দাদের অনেকেই বাঘের আতঙ্কে ঘরবন্দি হয়ে রয়েছেন। 

 

বন্ধ করুন