বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > মায়ের MRI রিপোর্ট সাইকেলে ১৪০ কিমি পার সামশেরগঞ্জের যুবকের
মায়ের MRI রিপোর্ট সাইকেলে ১৪০ কিমি পার সামশেরগঞ্জের যুবকের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
মায়ের MRI রিপোর্ট সাইকেলে ১৪০ কিমি পার সামশেরগঞ্জের যুবকের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

মায়ের MRI রিপোর্ট সাইকেলে ১৪০ কিমি পার সামশেরগঞ্জের যুবকের

লকডাউনে চলছে না গাড়ি। ভরসা সাইকেল।

লকডাউনের মধ্যে বাস-সহ সব পরিবহণই বন্ধ। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে আনবেন নিজের মায়ের এমআরআই রিপোর্ট? তা ভেবে কূলকিনারা পাচ্ছিলেন না। শেষপর্যন্ত সাইকেলই ভরসা। ১৪০ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে এমআরআই রিপোর্ট নিয়ে এলেন সামসেরগঞ্জের যুবক।

পেশায় ঘুগনি বিক্রেতা মিজানুর রহমানের মা অনেকদিন ধরেই অসুস্থ। চিকিৎসকরা তাঁর মাকে এমআরআই করানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। সেই রিপোর্ট ইদের পরে আনতে যাওয়ার কথা ছিল মিজানুরের। কিন্তু ঈদের পরেই কার্যত রাজ্যে লকডাউন ঘোষণা হয়ে যায়।ফলে কীভাবে রিপোর্ট আনবেন, তা নিয়ে রীতিমতো দুশ্চিন্তায় পড়ে যান মিজানুর। কিন্তু রিপোর্ট না আনলেও তো মুশকিল। মায়ের চিকিৎসা হবে কীভাবে? শেষপর্যন্ত সাইকেলে করেই রিপোর্ট নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেন মিজানুর। গত বুধবার সামসেরগঞ্জ থেকে সাইকেলে করে মালদহ মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। সামসেরগঞ্জ থেকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ৭০ কিলোমিটার পথ। ৭০ কিলোমিটার যেতে ও ৭০ কিলোমিটার আসতে মোট ১৪০ কিলোমিটার সাইকেলে যাতায়াত করতে হয় মিজানুরকে। পুরো পথ যেতে আসতে আট ঘণ্টা সময় লাগে।

এই প্রসঙ্গে মিজানুর জানান,‘‌লকডাউনের কারণেই গাড়ি চলছিল না।তাই সাইকেল নিয়ে গিয়েছিলাম। সকাল ৬টায় বেরিয়েছিলাম।রিপোর্ট নিয়ে বিকেল ৪টের সময়ে বাড়ি ফিরি।’‌ ইতিমধ্যে মিজানুরের কাজকে সাধুবাদ জানিয়েছেন প্রতিবেশিরা।প্র তিবেশিরা জানান, মায়ের জন্য এরকম ভালবাসা খুব কম দেখা যায়। যেভাবে মায়ের জন্য রিপোর্ট আনতে সাইকেলে করে গিয়েছে, তাতে তাঁকে স্যালুট জানাতেই হয়।

বন্ধ করুন