বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > জনমানবশূন্য সৈকতনগরী, পর্যটকহীন দিঘায় রুজি–রোজগার শিকেয়‌
জনমানবশূন্য দিঘা। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

জনমানবশূন্য সৈকতনগরী, পর্যটকহীন দিঘায় রুজি–রোজগার শিকেয়‌

  • পর্যটনের ভরা মরশুমেও রুটিরুজি বন্ধ হয়ে গিয়েছে পর্যটনের উপরে নির্ভরশীল দিঘার ছোট বড় সব ব্যবসায়ীরই।

নবান্ন থেকে রাজ্যজুড়ে জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। কারণ করোনাভাইরাস দাপট দেখাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সৈকতনগরী থেকে পর্যটকদের নিজ নিজ এলাকায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে এখন জনমানবশূন্য হয়ে পড়েছে দিঘা। আর পর্যটক না থাকায় সেখানের হোটেল মালিকদের রোজগারে পড়েছে টান। ফলে সমুদ্র আছড়ে পড়লেও তা দেখার লোক নেই।

পর্যটনের ভরা মরশুমেও রুটিরুজি বন্ধ হয়ে গিয়েছে পর্যটনের উপরে নির্ভরশীল দিঘার ছোট বড় সব ব্যবসায়ীরই। শুনশান দিঘায় এখন কষ্টের ছবি। এই পরিস্থিতিতে এখানে কেউ এখন আসছে না। কারণ বিধিনিষেধ ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত রয়েছে। ফলে এখানে এখন পর্যটক আসছে না। যাঁরা এখানে এসেছিল তাঁদের দিঘা থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

করোনাভাইরাসের বিধিনিষেধ জারি হতেই চেনা ভিড়ের ছবি বদলে গেল নির্জন সৈকত৷ শীতের মধ্যেই খালি সৈকত আগে কেউ দেখেনি। আগের লকডাউনে রুটিরুজিতে টান পড়েছিল। এবার লকডাউন না হতেই সেই একই সমস্যা দেখা গেল। নতুন বছরে এখানে ভিড় দেখা দিয়েছিল। আবার নতুন বছরেই এখানে বিপরীত ছবি দেখা গিয়েছে।

সমু্দ্রে যাওয়ার জন্য রাস্তাগুলি ফাঁকা৷ পর্যটক না থাকায় দোকানগুলিও বন্ধ৷ অনেকেই পর্যটকদের উপরে নির্ভরশীল৷ সেখানে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন হোটেল ব্যবসায়ীরাও৷ সমস্যায় পড়েছেন হোটেলের কর্মী থেকে মালিক সকলেই। এখন ফাঁকা সমুদ্রসৈকত জুড়ে পুলিশের টহলদারি এবং করোনাভাইরাস সচেতনতা সম্পর্কিত মাইকিং চলছে।

বন্ধ করুন